দশম শ্রেণির বাংলা পাঠ্যক্রমের অস্ত্রের বিরুদ্ধে গান কবিতার প্রশ্নোত্তর, সম্পূর্ণ সারসংক্ষেপ, কবি পরিচিতি ও প্রশ্নোত্তর — অতিসংক্ষিপ্ত, সংক্ষিপ্ত ও রচনাধর্মী।
অস্ত্রের বিরুদ্ধে গান কবিতার প্রশ্নোত্তর: সারসংক্ষেপ

জয় গোস্বামীর ‘অস্ত্রের বিরুদ্ধে গান’ একটি যুগসচেতন ও মানবতাবাদী কবিতা। তিনটি অসমান স্তবকে — পাঁচ, ছয় ও সাত পঙক্তিতে — কবি এঁকেছেন হিংসার বিরুদ্ধে গানের এক অনন্য বিদ্রোহ।
কবিতায় কবি এমন একটি পৃথিবীর ছবি আঁকেন যেখানে অস্ত্র, সহিংসতা ও রাষ্ট্রীয় নিষ্ঠুরতা মাথা তুলে আছে। সেই পরিস্থিতিতে কবি অস্ত্রের বিরুদ্ধে দাঁড় করান একটি অস্বাভাবিক অস্ত্র — গান। প্রথম স্তবকে কবি অস্ত্র ফেলে দিতে আহ্বান জানান। নিজে হাজার মানুষের সম্মিলিত শক্তি হয়ে এগিয়ে আসার কথা বলেন। গানের বর্ম পরে বুলেটের মুখে দাঁড়ানোর সংকল্প জানান।
দ্বিতীয় স্তবকে কবি স্বীকার করেন, তাঁর কণ্ঠে গান মাত্র হাতে গোনা কয়েকটি। কিন্তু সেই সামান্য গানকেও তিনি ‘খড়কুটো’ জ্ঞানে আঁকড়ে ধরেন। মাথার উপরে শকুন-চিলের মতো বিপদের ছায়া থাকলেও, একটি কোকিলের মতো তাঁর গান হাজার উপায়ে নিজেকে প্রকাশ করতে পারে। অস্ত্রের আঘাতে রক্ত ঝরলেও কবি সেই রক্ত মোছেন গানের গায়ে — হিংসায় নয়, গানেই আশ্রয় তাঁর।
তৃতীয় ও শেষ স্তবকে কবি এক মনোরম রূপকচিত্র সৃষ্টি করেন। যখন অস্ত্র ও বর্ম সরিয়ে রাখা হয়, আদুড় গায়ে বেরিয়ে আসে গান — ঋষিবালকের মতো। মাথায় ময়ূরপালক গোঁজা এই ঋষিবালক আসলে প্রেম, সৌন্দর্য ও মানবতার প্রতীক, যাঁর মধ্যে শ্রীকৃষ্ণের ছায়া। এই গান নদীতে, দেশে, গ্রামে সর্বত্র ঘুরে বেড়ায়। কবিতার চূড়ান্ত আহ্বানে কবি বলেন — অস্ত্র ফেলে দাও, গানের পায়ে নতি স্বীকার করো।
কবিতার মূল কথা: বুলেট দিয়ে বুলেটকে থামানো যায় না, গান দিয়েই সম্ভব। হিংসার বিরুদ্ধে ভালোবাসাই একমাত্র প্রতিষেধক।
অস্ত্রের বিরুদ্ধে গান কবিতার প্রশ্নোত্তর: অতিসংক্ষিপ্ত উত্তরভিত্তিক প্রশ্নাবলি

প্রতিটি প্রশ্নের পূর্ণমান — ১ ( অস্ত্রের বিরুদ্ধে গান কবিতার প্রশ্নোত্তর )
১. ‘অস্ত্রের বিরুদ্ধে গান’ কবিতাটির রচয়িতা কে? উঃ জয় গোস্বামী।
২. কবিতাটি কোন কাব্যগ্রন্থ থেকে নেওয়া হয়েছে? উঃ ‘পাতার পোশাক’ কাব্যগ্রন্থ থেকে।
৩. ‘পাতার পোশাক’ কাব্যগ্রন্থ কত খ্রিস্টাব্দে প্রকাশিত হয়? উঃ ১৯৯৭ খ্রিস্টাব্দে।
৪. জয় গোস্বামীর জন্ম কোথায় এবং কবে? উঃ ১৯৫৪ খ্রিস্টাব্দের ১০ নভেম্বর, কলকাতায়।
৫. জয় গোস্বামীর প্রথম কবিতার সংকলনের নাম কী? উঃ ‘ক্রিসমাস ও শীতের সন্নেটগুচ্ছ’।
৬. কোন কাব্যগ্রন্থের জন্য জয় গোস্বামী সাহিত্য অকাদেমি পুরস্কার পান? উঃ ‘পাগলী তোমার সঙ্গে’ কাব্যগ্রন্থের জন্য।
৭. ‘পাতার পোশাক’ কাব্যগ্রন্থটি কাকে উৎসর্গ করা হয়েছে? উঃ কবি অনুপ ও মঞ্জুকে।
৮. কবিতায় ‘অস্ত্র’ বলতে কী বোঝায়? উঃ হাতিয়ার, যার দ্বারা অন্যকে আঘাত করা যায়।
৯. কবিতায় ‘বর্ম’ শব্দের অর্থ কী? উঃ সাজোয়া, কবচ, অস্ত্রাঘাত নিবারণের অঙ্গাবরণ।
১০. ‘আদুড় গায়ে’ মানে কী? উঃ খোলা, অনাবৃত শরীরে।
১১. কবিতায় ‘ঋষি’ শব্দের অর্থ কী? উঃ বেদমন্ত্র রচয়িতা, শাস্ত্রজ্ঞ, তপস্বী, মুনি, যোগী।
১২. কবি কিসের বর্ম গায়ে পরেছেন? উঃ গানের বর্ম।
১৩. কবি কতটি গান জানেন? উঃ একটা-দুটো মাত্র।
১৪. কবিতায় কবি কিসকে ‘খড়কুটো’ বলেছেন? উঃ তাঁর জানা একটা-দুটো গানকে।
১৫. কবিতায় কোন কোন পাখির উল্লেখ আছে? উঃ শকুন, চিল ও কোকিল।
১৬. কবিতায় শকুন ও চিল কিসের প্রতীক? উঃ বিপদ, মৃত্যু ও যুদ্ধবাজ শক্তির প্রতীক।
১৭. কবিতায় কোকিল কিসের প্রতীক? উঃ সুরেলা গান ও মানবিক সৌন্দর্যের প্রতীক।
১৮. ‘ঋষিবালকের’ মাথায় কী গোঁজা আছে? উঃ ময়ূরপালক।
১৯. কবিতায় ময়ূরপালকধারী ঋষিবালক কার প্রতীক? উঃ প্রেমের প্রতিমূর্তি শ্রীকৃষ্ণের প্রতীক।
২০. কবিতায় গান কোথায় কোথায় বেড়াবে? উঃ নদীতে ও দেশগাঁয়ে।
২১. কবিতার শেষে কিসের পায়ে অস্ত্র রাখার আবেদন করা হয়েছে? উঃ গানের পায়ে।
২২. কবিতায় মোট কতটি স্তবক আছে? উঃ তিনটি স্তবক।
২৩. কবিতার তিনটি স্তবকে পঙক্তি সংখ্যা কত? উঃ পাঁচ, ছয় ও সাত পঙক্তি।
২৪. কবি বুলেট তাড়াতে কী ব্যবহার করেন? উঃ হাত নেড়ে এবং গানের বর্মকে ব্যবহার করে।
২৫. কবিতায় ‘হাজার হাতে-পায়ে’ আসার কথা বলতে কবি কী বোঝাতে চেয়েছেন? উঃ অসংখ্য মানুষের সম্মিলিত শক্তিকে।
২৬. রক্ত মোছার প্রসঙ্গ কবিতায় কোথায় এসেছে? উঃ দ্বিতীয় স্তবকে — আঘাত পেলেও কবি সেই রক্ত গানের গায়ে মোছেন।
২৭. জয় গোস্বামী কোন কোন পুরস্কার পেয়েছেন? উঃ আনন্দ পুরস্কার ও সাহিত্য অকাদেমি পুরস্কার।
২৮. ‘অস্ত্রের বিরুদ্ধে গান’ কবিতায় কবি কোন ধরনের মতাদর্শ প্রকাশ করেছেন? উঃ যুদ্ধবিরোধী ও মানবতাবাদী মতাদর্শ।
২৯. কবিতায় গান কিসের সমার্থক হয়ে উঠেছে? উঃ প্রেম, সৌন্দর্য ও মানবতার সমার্থক।
৩০. ‘গান বাঁধবে সহস্র উপায়ে’ বলতে কী বোঝানো হয়েছে? উঃ গানের অসীম ক্ষমতা — সে অনন্ত উপায়ে মানুষের কাছে পৌঁছাতে পারে।
অস্ত্রের বিরুদ্ধে গান কবিতার প্রশ্নোত্তর: সংক্ষিপ্ত উত্তরভিত্তিক প্রশ্নাবলি

প্রতিটি প্রশ্নের পূর্ণমান — ৩ (অস্ত্রের বিরুদ্ধে গান কবিতার প্রশ্নোত্তর)
১. ‘হাজার হাতে-পায়ে এগিয়ে আসি’ — কবির এই কথার তাৎপর্য কী?
উঃ জয় গোস্বামীর কবিতায় ‘হাজার হাতে-পায়ে’ কথাটি ব্যক্তির একক শক্তির নয়, বরং সমবেত মানুষের শক্তির কথা বলে। কবি মনে করেন একজনের প্রতিরোধ সীমিত, কিন্তু হাজার হাজার মানুষ যখন গানের সুতোয় একত্রিত হয়, তখন সেই শক্তি অস্ত্রের চেয়েও বেশি। ভালোবাসা ও সংগীতের মাধ্যমে সাধারণ মানুষকে জোটবদ্ধ করাই কবির লক্ষ্য। এই সম্মিলিত শক্তিকেই তিনি হাজার হাতে-পায়ে আসার রূপক দিয়ে প্রকাশ করেছেন।
২. কবিতায় ‘খড়কুটো’ বলতে কী বোঝানো হয়েছে? কবি কেন তা আঁকড়ে ধরতে চেয়েছেন?
উঃ ‘অস্ত্রের বিরুদ্ধে গান’ কবিতায় ‘খড়কুটো’ বলতে কবির জানা সেই গুটিকয় গানকে বোঝানো হয়েছে — যা একটা-দুটোর বেশি নয়। যেভাবে ডুবন্ত মানুষ খড়কুটো আঁকড়ে ধরে বাঁচতে চায়, কবিও সেই সামান্য গানকে তাঁর একমাত্র ভরসা হিসেবে আঁকড়ে ধরেন। কারণ তিনি বিশ্বাস করেন — সামান্য গানের মধ্যেও আছে অসাধারণ শক্তি। সেই শক্তিই পারে হিংসা ও যুদ্ধকে পরাজিত করতে।
৩. কবিতায় শকুন-চিল ও কোকিলের প্রতীকী ব্যবহার ব্যাখ্যা করো।
উঃ কবিতায় শকুন ও চিল যুদ্ধবাজ শক্তির প্রতীক — মৃত্যু ও ধ্বংসের বার্তাবাহক। তারা মাথার উপরে চক্কর দেয়, বিপদ ঘনায়। অন্যদিকে কোকিল প্রতিনিধিত্ব করে সুন্দর, মিষ্টি সুর ও জীবনের আনন্দকে। কোকিলের একটিমাত্র কণ্ঠ শকুন-চিলের ভিড়কেও হার মানাতে পারে। কবি বলতে চান — যুদ্ধবাজ শক্তি যতই শক্তিশালী হোক, গানের কোমল কণ্ঠ তাদের চেয়েও বেশি শক্তিশালী।
৪. ‘রক্ত মুছি শুধু গানের গায়ে’ — এই পঙক্তির তাৎপর্য ব্যাখ্যা করো।
উঃ কবি জয় গোস্বামী অহিংসায় বিশ্বাসী মানবতাবাদী কবি। কবিতায় তিনি বলেছেন, অস্ত্রের আঘাতে রক্ত ঝরলেও তিনি প্রতিশোধ নেবেন না, পাল্টা অস্ত্র ধরবেন না। সেই রক্ত তিনি মুছবেন গানের গায়ে — অর্থাৎ গানকেই আশ্রয় করবেন। এই পঙক্তিতে প্রকাশ পেয়েছে কবির অপরিসীম সংকল্প — যন্ত্রণা বা আঘাত পেলেও গান ছেড়ে হিংসার পথে যাবেন না। হিংসার উত্তর হিংসায় নয়, প্রেমেই — এই বিশ্বাসই তাঁর মূল দর্শন।
৫. ‘ঋষিবালকের’ প্রসঙ্গ কবিতায় কীভাবে ব্যবহৃত হয়েছে?
উঃ ‘অস্ত্রের বিরুদ্ধে গান’ কবিতায় ঋষিবালক গানের মানবীয় রূপ। অস্ত্র ও বর্ম সরিয়ে রাখলে, অনাবৃত শরীরে যে নিষ্পাপ সত্তা বেরিয়ে আসে — তাকেই কবি ঋষিবালকরূপে কল্পনা করেছেন। মাথায় ময়ূরপালক গোঁজা এই বালক শ্রীকৃষ্ণের ছায়ায় প্রেম, শান্তি ও সৌন্দর্যের প্রতিনিধি। অস্ত্রের কাছে পরাস্ত না হয়ে গান যেভাবে মানুষের হৃদয় জয় করে, তার রূপকই এই ঋষিবালক। অস্ত্রের বিরুদ্ধে শান্তির এই প্রতিনিধিই সত্যিকারের বিজয়ী।
৬. ‘গানের বর্ম আজ পেরেছি গায়ে’ — গানকে কেন বর্ম বলা হয়েছে?
উঃ ‘বর্ম’ হল অস্ত্রাঘাত থেকে রক্ষা করার আবরণ। কবি জয় গোস্বামী গানকে বর্ম বলেছেন কারণ গান মানুষকে ভেতর থেকে শক্তিশালী করে, অস্ত্রের হুমকির সামনেও দাঁড়াতে সাহায্য করে। গান মানুষকে দেশ-কাল-জাতি-ধর্ম নির্বিশেষে একত্রিত করে, প্রেম ও সৌন্দর্যের পথে নিয়ে যায়। এই সম্মিলিত মানবিক শক্তিই হিংসার বিরুদ্ধে সবচেয়ে মজবুত ঢাল। তাই গানই কবির বর্ম।
৭. ‘অস্ত্র রাখো গানের দুটি পায়ে’ — কবির এই আবেদনের পেছনে কোন দর্শন রয়েছে?
উঃ এই পঙক্তিতে কবির মানবতাবাদী দর্শন সম্পূর্ণ রূপে প্রকাশ পেয়েছে। কবি মনে করেন অস্ত্র দিয়ে অস্ত্রকে পরাজিত করা যায় না — তাতে কেবল হিংসার চক্র চলতে থাকে। কিন্তু গান — অর্থাৎ প্রেম, সৌন্দর্য ও মানবতা — সব শত্রুতাকে গলিয়ে দিতে পারে। অস্ত্র গানের পায়ে রাখার অর্থ হল হিংসার পথ ছেড়ে মানবতার পথে আসা। এটি আসলে অহিংসা ও শান্তির একটি কাব্যিক আহ্বান।
৮. কবিতায় ‘ময়ূরপালক’ কোন তাৎপর্যে ব্যবহৃত হয়েছে?
উঃ কবিতায় ময়ূরপালক শ্রীকৃষ্ণের প্রতীক হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। ময়ূরপালকধারী ঋষিবালকের মধ্যে দিয়ে কবি প্রেম, শান্তি ও সৌন্দর্যের এক আদর্শ মানবিক সত্তাকে উপস্থাপন করেছেন। শ্রীকৃষ্ণ যেমন প্রেমের বাণী দিয়ে মানুষের হৃদয় জয় করেছিলেন, ময়ূরপালকধারী এই ঋষিবালকরূপী গানও তেমনই মানুষকে হিংসা থেকে সৌন্দর্যের দিকে নিয়ে যায়।
৯. কবিতায় গান নিয়ে কবি কোথায় কোথায় যেতে চেয়েছেন এবং কেন?
উঃ কবি গান নিয়ে যেতে চেয়েছেন নদীতে এবং দেশগাঁয়ে — অর্থাৎ সর্বত্র। নদী ও গ্রাম এখানে সাধারণ মানুষের জীবনের প্রতীক। কবি চান গান শুধু শহরের মঞ্চে সীমাবদ্ধ না থেকে প্রতিটি প্রান্তিক মানুষের কাছে পৌঁছাক। কারণ যুদ্ধ ও হিংসার শিকার হয় সাধারণ মানুষই। তাই গানের শান্তি ও ভালোবাসার বার্তা তাদের কাছে পৌঁছে দেওয়াই কবির লক্ষ্য।
১০. জয় গোস্বামীর কবিতায় সমকালীন সমাজের কোন ছবি উঠে এসেছে?
উঃ জয় গোস্বামী উত্তর-আধুনিক যুগের কবি। তাঁর কবিতায় রাষ্ট্রীয় নিষ্ঠুরতা, সামাজিক হিংসা ও সংঘাত, সাধারণ মানুষের পীড়ন এবং তার বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর প্রেরণা স্পষ্টভাবে উঠে আসে। ‘অস্ত্রের বিরুদ্ধে গান’ কবিতায় ক্ষমতার আস্ফালন ও অস্ত্রের দম্ভের বিরুদ্ধে গানকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহারের মধ্যে দিয়ে কবি দেখিয়েছেন মানবতা ও শিল্পশক্তি কীভাবে রাজনৈতিক হিংসাকে প্রতিরোধ করতে পারে।
অস্ত্রের বিরুদ্ধে গান কবিতার প্রশ্নোত্তর: বিশ্লেষণধর্মী / রচনাধর্মী প্রশ্নাবলি

প্রতিটি প্রশ্নের পূর্ণমান — ৫ (অস্ত্রের বিরুদ্ধে গান কবিতার প্রশ্নোত্তর)
১. ‘অস্ত্রের বিরুদ্ধে গান’ কবিতার মূল বিষয়বস্তু আলোচনা করো।
উঃ জয় গোস্বামীর ‘অস্ত্রের বিরুদ্ধে গান’ একটি বিশেষ সময়ের প্রতিক্রিয়া থেকে জন্ম নেওয়া মানবতাবাদী কবিতা। এটি যুদ্ধের বিরুদ্ধে একটি শিল্পীর অবস্থান — যেখানে হিংসার মোকাবিলা করা হয় সৌন্দর্য দিয়ে, অস্ত্রের বিরুদ্ধে দাঁড় করানো হয় গানকে।
কবিতার প্রথম স্তবকে কবি সরাসরি অস্ত্র ফেলে দেওয়ার আহ্বান জানান। তিনি গানের বর্ম পরে হাজার মানুষের সম্মিলিত শক্তি হয়ে এগিয়ে আসেন। বুলেটের সামনে দাঁড়িয়ে তিনি পাল্টা গুলি ছোড়েন না, হাত নাড়িয়ে বুলেট তাড়ান — এই চিত্রকল্পে কবির অহিংসার বিশ্বাস স্পষ্ট।
দ্বিতীয় স্তবকে কবি স্বীকার করেন তাঁর কাছে গান কম। কিন্তু সেই সামান্য গানকেও তিনি ‘খড়কুটো’র মতো শক্ত করে ধরেন। মাথার উপরে শকুন-চিলের মতো বিপদ ঘিরলেও কোকিলের সুর দিয়ে তিনি হাজার পথে গান গেয়ে যান। আঘাত পেলে রক্ত মোছেন গানের গায়ে — প্রতিশোধ নয়, গানেই তাঁর আশ্রয়।
তৃতীয় স্তবকে কবি যুদ্ধের আবরণ খুলে ফেলার কথা বলেন। আদুড় গায়ে অর্থাৎ নিষ্পাপভাবে দাঁড়িয়ে থাকলে গান ঋষিবালকের রূপ ধরে আসে — মাথায় ময়ূরপালক নিয়ে, হৃদয়ে প্রেম নিয়ে। এই গান নদীতে, দেশে, গ্রামে সর্বত্র মানুষকে নিয়ে বেড়ায়। শেষ আবেদনে কবি বলেন — অস্ত্র ফেলো, গানের পায়ে মাথা নত করো।
কবিতার মূল বার্তা একটাই: হিংসা হিংসাকে শেষ করতে পারে না। বরং গান — অর্থাৎ প্রেম, মানবতা ও সৌন্দর্য — পারে ঘৃণার অন্ধকারকে আলোয় বদলে দিতে। এটি কবির যুদ্ধবিরোধী দর্শনের কাব্যিক প্রকাশ।
২. ‘অস্ত্রের বিরুদ্ধে গান’ কবিতাটির নামকরণের সার্থকতা বিচার করো।
উঃ একটি কবিতার নাম পাঠকের মনে প্রথম প্রতিক্রিয়া জন্ম দেয়। নামকরণ যদি কবিতার আত্মাকে ধারণ করতে পারে, তাহলে সেটি সার্থক। জয় গোস্বামীর ‘অস্ত্রের বিরুদ্ধে গান’ নামটি পরীক্ষা করলে দেখা যায় এটি অসাধারণভাবে সার্থক।
নামটির মধ্যে একটি বিরোধিতা আছে — ‘অস্ত্রের বিরুদ্ধে’ এবং ‘গান’। এই দুটির মধ্যে যে টান, তাই কবিতার মূল দ্বন্দ্ব। অস্ত্র মানে হিংসা, ধ্বংস, মৃত্যু। গান মানে প্রেম, সৌন্দর্য, জীবন। এই দুটির মুখোমুখি দাঁড় করানোর মধ্য দিয়েই নামকরণ একটি শক্তিশালী বিবৃতি দিয়ে ফেলে।
কবিতায় কবি অস্ত্রের বিরুদ্ধে অস্ত্র ধরেননি — ধরেছেন গান। এটি শুধু কৌশলের পরিবর্তন নয়, দর্শনের পরিবর্তন। অস্ত্রের যুক্তিতে পৃথিবী চলে হিংসা-প্রতিহিংসার চক্রে। গানের যুক্তিতে পৃথিবী হয় মানবিক, মিলনমুখী।
নামের দ্বিতীয় অংশ ‘গান’ শব্দটি শুধু সংগীতের কথা বলে না — এখানে গান প্রেম, মানবতা ও শিল্পের প্রতীক। গানই কবিতার প্রধান চরিত্র — সে ঋষিবালক হয়ে আসে, বর্ম হয়ে রক্ষা করে, কোকিলের কণ্ঠে সহস্র পথে ছড়িয়ে পড়ে।
বিষয়বস্তুর সাথে নামের এই সম্পূর্ণ মিল প্রমাণ করে যে কবিতাটি সত্যিই অস্ত্রের বিরুদ্ধে গানের আখ্যান। নামকরণ শুধু বিষয় জানায় না, মতাদর্শটিও ঘোষণা করে। তাই ‘অস্ত্রের বিরুদ্ধে গান’ নামকরণ সম্পূর্ণ সার্থক।
৩. ‘অস্ত্রের বিরুদ্ধে গান’ কবিতায় গানের শক্তি ও তাৎপর্য আলোচনা করো।
উঃ জয় গোস্বামীর কবিতায় গান কেবল বিনোদন নয় — সে প্রতিরোধের হাতিয়ার, বেঁচে থাকার প্রেরণা, মানবতার রক্ষাকর্তা। গানের বহুমুখী শক্তির এই চিত্রই কবিতাকে অনন্য করে তুলেছে।
প্রথমত, গান একটি সুরক্ষাকবচ। কবি গানের বর্ম পরে বুলেটের সামনে দাঁড়িয়েছেন। অর্থাৎ গান মানুষকে ভেতর থেকে এমন শক্তি দেয় যে সে শারীরিক হুমকির সামনেও অবিচল থাকতে পারে।
দ্বিতীয়ত, গান একটি সংযোগ-সূত্র। ‘হাজার হাতে-পায়ে’ আসার কথায় বোঝা যায় গান মানুষকে জোটবদ্ধ করে। দেশ-কাল-জাতি-ধর্ম নির্বিশেষে গান একটি সাধারণ মানবিক ভূমিতে সবাইকে এনে দাঁড় করায়।
তৃতীয়ত, গান আশার আলো। মাথার উপরে শকুন-চিলের ভিড়েও একটিমাত্র কোকিল হাজার উপায়ে গান বাঁধতে পারে। অর্থাৎ বিপদের মাঝেও গানের প্রতিশ্রুতি থাকে, আশা নেভে না।
চতুর্থত, গান একটি নিরাময়। আঘাত পেলে কবি রক্ত মোছেন গানের গায়ে — প্রতিশোধ নয়, সান্ত্বনা ও পুনরুজ্জীবন আসে গানেই।
পঞ্চমত, গান একটি আদর্শ। ঋষিবালকের রূপ ধরে গান যখন আসে, তখন সে প্রেম ও শান্তির দূত হয়ে সর্বত্র ঘুরে বেড়ায়। কবিতার শেষে অস্ত্র গানের পায়ে নত হয় — এটিই সবচেয়ে বড় স্বীকৃতি যে গানের শক্তি অস্ত্রের চেয়ে অনেক বেশি।
৪. কবিতায় কবির যুদ্ধবিরোধী মনোভাব কীভাবে প্রকাশ পেয়েছে তা আলোচনা করো।
উঃ জয় গোস্বামী তাঁর ‘অস্ত্রের বিরুদ্ধে গান’ কবিতায় যুদ্ধবিরোধী অবস্থান নিয়েছেন অত্যন্ত সরাসরি কিন্তু গভীরভাবে।
সবচেয়ে প্রথম যা চোখে পড়ে তা হল কবি অস্ত্র ধারণ করেননি, অস্ত্র ছেড়ে দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। যুদ্ধবিরোধিতার প্রথম প্রকাশ এখানেই। কবি বিশ্বাস করেন, যুদ্ধ ইতিহাসে বারবার এসেছে কিন্তু কোনো সমস্যার চিরস্থায়ী সমাধান করেনি — কেবল ধ্বংস ডেকে এনেছে।
কবির যুদ্ধবিরোধিতার দ্বিতীয় প্রকাশ হল তাঁর অহিংসার বিশ্বাসে। অস্ত্রের আঘাতে রক্ত ঝরলেও তিনি পাল্টা অস্ত্র ধরেন না। গানের গায়ে রক্ত মোছেন — এই সিদ্ধান্ত তাঁকে একজন নিষ্ঠুর যোদ্ধা নয়, একজন মানবতাবাদী শিল্পী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করে।
তৃতীয়ত, কবি যুদ্ধবাজদের ছবি এঁকেছেন শকুন-চিলের রূপকে। এই পশুসুলভ হিংস্রতার বিপরীতে কোকিলের সুর — মানবিক সংস্কৃতির প্রতীক। যুদ্ধবাজদের পাশব আস্ফালনকে সংগীতের শক্তি দিয়ে পরাজিত করার এই ভাবনাটি গভীরভাবে যুদ্ধবিরোধী।
চতুর্থত, ঋষিবালকের রূপকল্পে কবি যুদ্ধের বিপরীত আদর্শকে স্থাপন করেছেন। ঋষিবালক নিষ্পাপ, নিরস্ত্র, কিন্তু প্রেম ও সৌন্দর্যে পূর্ণ। অস্ত্র নয়, এই ঋষিবালকই কবির আদর্শ মানুষ।
কবিতার শেষে অস্ত্র গানের পায়ে নত করার আবেদনটি কবির চূড়ান্ত যুদ্ধবিরোধী ঘোষণা — শক্তির কাছে নয়, মানবতার কাছে মাথা নত করো।
৫. জয় গোস্বামীর কবিতায় মানবতার যে বার্তা আছে তা ‘অস্ত্রের বিরুদ্ধে গান’ কবিতার আলোকে বিশ্লেষণ করো।
উঃ জয় গোস্বামী উত্তর-আধুনিক বাংলা কবিতার এক গুরুত্বপূর্ণ কণ্ঠস্বর। তাঁর কবিতায় সমকালীন মানুষের সংকট ও তার বিরুদ্ধে মানবিক প্রতিরোধ সর্বদা প্রধান বিষয়। ‘অস্ত্রের বিরুদ্ধে গান’ কবিতাটি এই মানবতার বার্তার এক উজ্জ্বল প্রকাশ।
কবিতায় মানবতার প্রথম বার্তা হল — মানুষ মূলত ভালো। অস্ত্র, হিংসা মানুষের মূল স্বভাব নয়; তা চাপিয়ে দেওয়া। মূল মানুষটি নিষ্পাপ ঋষিবালকের মতো — প্রেম ও সৌন্দর্যের ধারক। কবি সেই মূল মানুষটাকে ফিরে পাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।
দ্বিতীয়ত, কবির মানবতাবাদ অহিংসায় বিশ্বাস করে। রক্ত মোছেন গানের গায়ে, প্রতিশোধ নেন না — এই সিদ্ধান্তে মানবতার গভীরতম আদর্শ আছে। হিংসার উত্তরে হিংসা দিলে মানবতা হারায়; প্রেম দিলে মানবতা বাঁচে।
তৃতীয়ত, কবিতায় গান হল মানবতার যান। গান মানুষকে একজায়গায় আনে, বিভেদ ভোলায়, হৃদয়কে কোমল করে। যখন গান ঋষিবালকের মতো নদীতে-দেশে-গাঁয়ে ঘুরে বেড়ায়, তখন সে মানবতার বার্তাই ছড়িয়ে দেয় সর্বত্র।
চতুর্থত, কবিতায় মানবতার বার্তা সর্বজনীন। এটি কোনো এক জাতি বা দেশের জন্য নয়। শকুন-চিলের বিপদ সর্বত্র, কোকিলের গানও সর্বত্র। কবি এই বিশ্বব্যাপী মানবিক সংকটকে সম্বোধন করেছেন।
সার্বিকভাবে এই কবিতায় জয় গোস্বামী বলেছেন: মানুষের শ্রেষ্ঠত্ব তার অস্ত্রে নয়, তার গানে — তার ভালোবাসায়, তার সৌন্দর্যবোধে। এই বিশ্বাসটিই মানবতার সবচেয়ে শক্তিশালী বার্তা।
অদল বদল গল্পের প্রশ্নোত্তর | পান্নালাল প্যাটেল | দশম শ্রেণি বাংলা গাইড
সিন্ধুতীরে প্রশ্ন উত্তর কবিতা | সৈয়দ আলাওল | দশম শ্রেণি প্রশ্ন উত্তর
পথের দাবী প্রশ্ন উত্তর — শরৎচন্দ্র | Class 10 বাংলা সারাংশ ও প্রশ্নোত্তর
উপরের আলোচনায় আমরা অস্ত্রের বিরুদ্ধে গান প্রশ্নোত্তর, ostrer biruddhe gaan class 10 question answer, জয় গোস্বামী কবিতা দশম শ্রেণি, দশম শ্রেণি বাংলা কবিতা প্রশ্নোত্তর, মাধ্যমিক বাংলা কবিতা সাজেশন, অস্ত্রের বিরুদ্ধে গান সারসংক্ষেপ, WBBSE class 10 Bengali poem proshno uttar, অস্ত্রের বিরুদ্ধে গান নামকরণের সার্থকতা, জয় গোস্বামী মাধ্যমিক বাংলা, পাতার পোশাক কাব্যগ্রন্থ কবিতা, ঋষিবালক ময়ূরপালক কবিতা, ostrer biruddhe gaan kobita bishleshon, গানের বর্ম অস্ত্রের বিরুদ্ধে গান, class 10 Bengali poem 2026 suggestion সব কিছু রয়েছে।
- কলনবিদ্যা প্রশ্ন উত্তর (Calculus) MCQ — HS তৃতীয় সেমিস্টার গণিত (সন্ততা, অন্তরকলন, প্রয়োগ)
WBCHSE দ্বাদশ শ্রেণি তৃতীয় সেমিস্টার গণিতের কলনবিদ্যা প্রশ্ন উত্তর অধ্যায়ের ৯০টি MCQ প্রশ্নের সম্পূর্ণ সমাধানসহ উত্তর — সন্ততা, অন্তরকলনযোগ্যতা, অন্তরকলন কৌশল ও প্রয়োগ কলনবিদ্যা প্রশ্ন উত্তর (Calculus) সম্পূর্ণ MCQ — HS তৃতীয় সেমিস্টার গণিত উচ্চ মাধ্যমিক দ্বাদশ শ্রেণির তৃতীয় সেমিস্টার গণিত পরীক্ষায় কলনবিদ্যা প্রশ্ন উত্তর (Calculus) সবচেয়ে বড় ও গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় — সন্ততা (continuity), অন্তরকলনযোগ্যতা … - ম্যাট্রিক্স ও নির্ণায়ক প্রশ্ন উত্তর (Matrices and Determinants) MCQ প্রশ্ন— HS তৃতীয় সেমিস্টার গণিত
WBCHSE দ্বাদশ শ্রেণি তৃতীয় সেমিস্টার গণিতের ম্যাট্রিক্স ও নির্ণায়ক প্রশ্ন উত্তর, এই অধ্যায়ের ৬৮টি MCQ প্রশ্নের সম্পূর্ণ সমাধানসহ উত্তর। ম্যাট্রিক্স ও নির্ণায়ক প্রশ্ন উত্তর (Matrices and Determinants) সম্পূর্ণ MCQ প্রশ্ন উত্তর উচ্চ মাধ্যমিক দ্বাদশ শ্রেণির তৃতীয় সেমিস্টার গণিত পরীক্ষায় ম্যাট্রিক্স ও নির্ণায়ক (Matrices and Determinants) অধ্যায় থেকে ম্যাট্রিক্সের ধর্ম, নির্ণায়কের বৈশিষ্ট্য, প্রতিসম/বিপ্রতিসম ম্যাট্রিক্স এবং রৈখিক … - বিপরীত ত্রিকোণমিতিক অপেক্ষক MCQ প্রশ্নোত্তর — HS তৃতীয় সেমিস্টার গণিত (WBCHSE 2026)
উচ্চমাধ্যমিক দ্বাদশ শ্রেণি তৃতীয় সেমিস্টার গণিতের বিপরীত ত্রিকোণমিতিক অপেক্ষক MCQ ও অ্যাসারশন-রিজন প্রশ্নোত্তর, ব্যাখ্যাসহ। WBCHSE সিলেবাস অনুযায়ী প্র্যাকটিসের জন্য আদর্শ। বিপরীত ত্রিকোণমিতিক অপেক্ষক MCQ (Inverse Trigonometric Functions) প্রশ্নোত্তর — উচ্চমাধ্যমিক তৃতীয় সেমিস্টার গণিত উচ্চমাধ্যমিক দ্বাদশ শ্রেণি তৃতীয় সেমিস্টার গণিতের দ্বিতীয় ইউনিট বিপরীত ত্রিকোণমিতিক অপেক্ষক (Inverse Trigonometric Functions) — এখানে সবচেয়ে বেশি ভুল হয় যোগ-বিয়োগের সূত্রে … - সম্বন্ধ ও অপেক্ষক MCQ প্রশ্নোত্তর — HS তৃতীয় সেমিস্টার গণিত (WBCHSE 2026)
উচ্চমাধ্যমিক দ্বাদশ শ্রেণি তৃতীয় সেমিস্টার গণিতের সম্বন্ধ ও অপেক্ষক MCQ ও অ্যাসারশন-রিজন প্রশ্নোত্তর, ব্যাখ্যাসহ। WBCHSE সিলেবাস অনুযায়ী প্র্যাকটিসের জন্য আদর্শ। সম্বন্ধ ও অপেক্ষক MCQ (Relations and Functions) প্রশ্নোত্তর — উচ্চমাধ্যমিক তৃতীয় সেমিস্টার গণিত উচ্চমাধ্যমিক দ্বাদশ শ্রেণি তৃতীয় সেমিস্টার গণিতের সিলেবাসে সম্বন্ধ ও অপেক্ষক MCQ (Relations and Functions) অধ্যায়টা প্রথম ইউনিট হলেও এখানেই সবচেয়ে বেশি ছাত্রছাত্রী … - তড়িৎ চুম্বকীয় আবেশ ও পরিবর্তী প্রবাহ – HS 3rd Semester Physics MCQ প্রশ্নোত্তর
উচ্চমাধ্যমিক দ্বাদশ শ্রেণি তৃতীয় সেমিস্টার পদার্থবিদ্যার “তড়িৎ চুম্বকীয় আবেশ ও পরিবর্তী প্রবাহ” অধ্যায়ের প্রশ্ন উত্তরসহ। লেঞ্জের সূত্র, আবেশাঙ্ক, ট্রান্সফরমার, AC বর্তনী সংক্রান্ত সব প্রশ্ন এখানে। তড়িৎ চুম্বকীয় আবেশ ও পরিবর্তী প্রবাহ: HS 3rd Semester Physics প্রশ্নোত্তর তৃতীয় সেমিস্টারের পঞ্চম ও শেষ মূল ইউনিট তড়িৎ চুম্বকীয় আবেশ ও পরিবর্তী প্রবাহ — এখানে লেঞ্জের সূত্র, স্ব-আবেশ, পারস্পরিক … - তড়িৎচুম্বকীয় তরঙ্গ ও যোগাযোগ ব্যবস্থা – HS 3rd Semester Physics MCQ প্রশ্নোত্তর
উচ্চমাধ্যমিক দ্বাদশ শ্রেণি তৃতীয় সেমিস্টার পদার্থবিদ্যার “তড়িৎচুম্বকীয় তরঙ্গ ও যোগাযোগ ব্যবস্থা” সংক্রান্ত মডেল প্রশ্নপত্রের প্রশ্ন উত্তরসহ তড়িৎচুম্বকীয় তরঙ্গ ও যোগাযোগ ব্যবস্থা: HS 3rd Semester Physics প্রশ্নোত্তর তৃতীয় সেমিস্টার পদার্থবিদ্যার সিলেবাসে তড়িৎচুম্বকীয় তরঙ্গ ও যোগাযোগ ব্যবস্থা টপিকটা মূল ৫টা ইউনিটের মতো আলাদা কোনো পূর্ণাঙ্গ Model Question Paper হিসেবে আসেনি — বরং সাধারণ মিশ্র মক টেস্ট (Set-I … - তড়িৎ প্রবাহের চৌম্বক ক্রিয়া ও চুম্বকত্ব – HS 3rd Semester Physics সম্পূর্ণ MCQ প্রশ্নোত্তর
উচ্চমাধ্যমিক দ্বাদশ শ্রেণি তৃতীয় সেমিস্টার পদার্থবিদ্যার “তড়িৎ প্রবাহের চৌম্বক ক্রিয়া ও চুম্বকত্ব” অধ্যায়ের সবকটি MCQ প্রশ্ন উত্তরসহ। বায়ো-সাভার্ট সূত্র, সাইক্লোট্রন, চুম্বকত্ব সংক্রান্ত সব প্রশ্ন এখানে। তড়িৎ প্রবাহের চৌম্বক ক্রিয়া ও চুম্বকত্ব: HS 3rd Semester Physics সম্পূর্ণ MCQ প্রশ্নোত্তর তৃতীয় সেমিস্টারের চতুর্থ অধ্যায় তড়িৎ প্রবাহের চৌম্বক ক্রিয়া ও চুম্বকত্ব — এখানে বায়ো-সাভার্ট সূত্র, অ্যাম্পিয়ারের সূত্র, সাইক্লোট্রন … - প্রবাহী তড়িৎ – HS 3rd Semester Physics সম্পূর্ণ MCQ প্রশ্নোত্তর
উচ্চমাধ্যমিক দ্বাদশ শ্রেণি তৃতীয় সেমিস্টার পদার্থবিদ্যার “প্রবাহী তড়িৎ” অধ্যায়ের সবকটি MCQ প্রশ্ন উত্তরসহ। কারেন্ট, রোধ, পোটেনশিওমিটার, মিটার ব্রিজ সংক্রান্ত সব প্রশ্ন এখানে। প্রবাহী তড়িৎ: HS 3rd Semester Physics সম্পূর্ণ MCQ প্রশ্নোত্তর প্রবাহী তড়িৎ অধ্যায়টা তৃতীয় সেমিস্টারের মধ্যে সবচেয়ে “প্র্যাকটিক্যাল” — এখানেই পোটেনশিওমিটার, মিটার ব্রিজ, শান্ট-গ্যালভানোমিটারের মতো যন্ত্রের হিসাব আসে, যেগুলো ল্যাব পরীক্ষাতেও কাজে লাগে। নিচে … - স্থিরতড়িৎ বিভব ও ধারকত্ব – HS 3rd Semester Physics সম্পূর্ণ MCQ প্রশ্নোত্তর
উচ্চমাধ্যমিক দ্বাদশ শ্রেণি তৃতীয় সেমিস্টার পদার্থবিদ্যার “স্থিরতড়িৎ বিভব ও ধারকত্ব” অধ্যায়ের সবকটি MCQ প্রশ্ন উত্তরসহ। ধারক নেটওয়ার্ক, বিভব ও শক্তি সংক্রান্ত সব প্রশ্ন এখানে। স্থিরতড়িৎ বিভব ও ধারকত্ব: HS 3rd Semester Physics সম্পূর্ণ MCQ প্রশ্নোত্তর তড়িৎ আধান ও তড়িৎ ক্ষেত্র অধ্যায়ের পরের ধাপ হলো স্থিরতড়িৎ বিভব ও ধারকত্ব — এই অধ্যায়ে বিভব, বিভব প্রভেদ, ধারকত্বের …