
আধুনিক পদার্থবিদ্যার জনক আলবার্ট আইনস্টাইন জার্মানিতে জন্মগ্রহণ করেন। ১৯২১ সালে তিনি পদার্থবিদ্যায় নোবেল পুরস্কার পান। সাধারণ মানুষের চিন্তার অতীত একটি বিষয় ‘জেনারেল থিওরি অফ রিলেটিভিটি‘ বিষয়ে তিনি নোবেল পুরস্কার পান। তাকে 21 শতকের সেরা পদার্থবিদ এবং গণিতবিদ বলা চলে
১৮৭৯ সালের ১৪ই মার্চ আইনস্টাইনের জন্ম হয় জার্মানির উলম শহরে। তার পিতার নাম হারম্যান এবং মায়ের নাম পাওলিন আইনস্টাইন। আইনস্টাইনের পিতা একটি ইলেকট্রনিক্স কোম্পানিতে কাজ করতেন। পদার্থবিদ্যা এবং বিজ্ঞানের নানা বিষয়ে আলবার্ট আইনস্টাইনের আগ্রহের সূচনা হয়েছিল তার বাবার কাছ থেকেই। ১৮৮০ সালে তার পরিবার জার্মানির মিউনিখ শহরে চলে আসে
আইনস্টাইনে যখন পাঁচ বছর বয়স তখন তার পড়াশোনা শুরু হয় ক্যাথলিক এলিমেন্টারি স্কুলে। কথিত আছে আইনস্টাইনের বাবা তাকে একটি কম্পাস দিয়ে বলেছিলেন কেন কম্পাসের একটি প্রান্ত সব সময় উত্তর দিকে মুখ করে থাকে।
আইনস্টাইনের মত মস্তিষ্ক খুব কমই পৃথিবীতে দেখা গেছে তাই তাকে জিনিয়াস বলা হয়ে থাকে।
সঙ্গীতজ্ঞ আইনস্টাইন
অনেক ছোট বেলায় থেকেই তিনি ভায়োলিন বা বেহালা বাজানো শিখেছিলেন। কিন্তু ছেলেবেলায় তার কথা বলার জড়তা ছিল এবং তিনি দ্রুত কথা বলতেও পারতেন না। কিন্তু পরবর্তীকালে তিনি অসাধারণ প্রতিভার নমুনা দেখিয়েছেন। আইনস্টাইনের মা খুব ভালো পিয়ানো বাজাতেন আর তিনি সারা জীবন সংগীত এবং বাদ্যযন্ত্রের ভক্ত ছিলেন।
আইনস্টাইনের পড়াশুনা I Albert Einstein in Bengali
১৮৮৮ সালে তিনি লুইটপোল্ড জিমনেসিয়ামে ভর্তি হন। স্কুল জীবনে তিনি গণিত এবং বিজ্ঞান খুব ভালোবাসতেন। গণিতের মধ্যে ক্যালকুলাস ছিল তার প্রিয় বিষয়। ১৮৯৫ সালে তিনি আরগাও তে স্কুলে ভর্তি হন। এর পরের বছর জুরিক পলিটেকনিকে পড়াশোনা করেন। তার যখন ১৭ বছর বয়স তখন তিনি পদার্থবিদ্যা এবং গণিত নিয়ে চার বছরের ডিপ্লোমা কোর্স করছেন।
১৯০০ সালে জুরিক পলিটেকনিক থেকে ডিপ্লোমা লাভ করেন। ১৯০৫ সালে আইনস্টাইন ডক্টরেট ডিগ্রী লাভ করেন। ডক্টরেট ডিগ্রি লাভ করার জন্য তিনি কয়েকটি পেপার পাবলিশ করেন যার মধ্যে চারটি তখনকার স্বনামধন্য ফিজিক্স জার্নালে প্রকাশিত হয়েছিল। সেই বছর থেকেই মানুষ তাকে একজন স্বনামধন্য বিজ্ঞানী হিসেবে চিনতে শুরু করে।
কর্মজীবন
অথচ এই স্বনামধন্য বিজ্ঞানীর কর্মজীবন শুরু হয় একজন সাধারণ ক্লার্ক হিসাবে সুইস পেটেন্ট অফিসে। অফিসে কাজ করার ফাঁকে ফাঁকে তিনি এক এক করে তার গবেষণার পেপার পাবলিশ করতে থাকেন। চলতে থাকে গবেষণার কাজও।
আপেক্ষিকতাবাদ, টাইম ও স্পেস I আপেক্ষিকতার তত্ত্ব কী? আলবার্ট আইনস্টাইনের ভূমিকা
তার জীবনের সব থেকে বড় সাফল্য আপেক্ষিকতাবাদ এবং কোয়ান্টাম তত্ত্ব। তারই তথ্যগুলি তখনকার বিজ্ঞানের ধারণাকে সম্পূর্ণরূপে ভেঙ্গে দিয়েছিল এবং ১৯০৫ সাল থেকেই বলা যায় আধুনিক পদার্থবিদ্যার সূচনা হয়েছিল।
তিনি মানুষকে ভাবতে শিখিয়েছিলেন টাইম এবং পদার্থ সম্পর্কে। পৃথিবীর টান বা অভিকর্ষ সম্পর্কে তিনি নতুন ধারণার জন্ম দেন। কারণ তিনি বিশ্বাস করতেন তখনকার পৃথিবীর টান সম্পর্কে যে ধারণা তা ছিল ভ্রান্ত পরে তার এই তথ্যগুলি সঠিক প্রমাণিত হয়েছিল। আপেক্ষিকতাবাদ তত্ত্বের সাপেক্ষে সূর্য গ্রহণের সময় তিনি প্রমাণ করেছিলেন।
আলো তরঙ্গ হলেও এটি যে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র ফোটনের সমষ্টি, তাই তিনি প্রথম বলেন। এবং আলো যখন কোন পদার্থের উপরে পড়ে তখন সেখান থেকে ইলেকট্রনের নির্গমন ঘটে, এই ঘটনা পদার্থবিদ্যায় ফটো ইলেকট্রিক ইফেক্ট নামে পরিচিত। এটি আইনস্টাইন আবিষ্কার করেন তার সাথে তিনি ১৯২১ সালে নোবেল পুরস্কারও পান এই বিষয়ে।
আইনস্টাইনের ভর ও শক্তির তুল্যতা নীতি
তিনি আরো বলেন ভর শক্তিতে এবং শক্তি ভরে রূপান্তরিত হতে পারে এই সংক্রান্ত বিখ্যাত E=mc2 সূত্র আবিষ্কার করেন। এই তত্ত্বের উপর ভিত্তি করে পরমাণু বোমা আবিষ্কার হয়। ১৯১১ সালে চার্লস ফার্ডিনন্দ ইউনিভার্সিটিতে প্রফেসর হিসেবে যোগ দেন। তার জীবনের বেশিরভাগ অংশই তিনি কাটিয়েছেন প্রফেসার হিসেবে তিনি হাম বোল্ট ইউনিভার্সিটিতেও প্রফেসর হিসেবে ছিলেন। ১৯১৬ সালে জার্মান ফিজিক্যাল সোসাইটির প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন এবং ১৯২১ সালে আইনস্টাইনের কাজ নিউইয়র্ক শহরের মেয়র দ্বারা স্বীকৃত হয়। তিনি আইনস্টাইনকে নিউইয়র্ক শহরে এসে থাকার আহ্বান জানান।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে পরমাণু বোমার ব্যবহার
এরপর দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয় ১৯৩৯ সালে এবং ১৯৪৫ সালে এই যুদ্ধের সমাপ্তি ঘটে। আইনস্টাইনের বহু আবিষ্কারের মধ্যে পরমাণু বোমা আবিষ্কার মানুষের বিপদ ডেকে এনেছিল। এবং দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জাপানের হিরোশিমা ও নাগাসাকি শহরে পরমাণু বোমা বিস্ফোরণ ঘটানো হয়। বহু নিরপরাধ সাধারণ মানুষের মৃত্যু ঘটে। ১৯৫৪ সাল পর্যন্ত আইনস্টাইন তিনশোরও বেশি গবেষণার কাজ করেছেন। বিজ্ঞানের এত উন্নতি হলেও আজও তার তথ্যগুলো মহাবিশ্ব এবং মহাবিশ্বের সূত্র গুলি জানতে ব্যবহার করা হয়। তার আবিষ্কৃত তথ্য নিয়ে নিরন্তর গবেষণা করে তুলেছেন আমাদের বিজ্ঞানীরা।
তাকে সারা জীবনে অসংখ্য পুরস্কার দেওয়া হয়েছে। আধুনিক বিজ্ঞানে তার অবদানের জন্য। 1929 সালে তিনি ম্যাক্স প্লাঙ্ক মেডেল পান জার্মান ফিজিক্যাল সোসাইটি থেকে। তিনি ফ্রাঙ্কলিন মেডেল পান ফ্রাঙ্কলিন ইনস্টিটিউট থেকে ফটো ইলেক্ট্রিক এফেক্ট আবিষ্কারের জন্য।
আলবার্ট আইনস্টাইন কে ছিলেন? জানুন বিস্তারিত
১৯০৩ সালে তার বিবাহ হয় মিলেভা মেরিক এর সাথে। তাদের তিন সন্তান জন্মগ্রহণ করে। কিন্তু খুব বেশিদিন তাদের বিয়ে টেকেনি এবং ১৯১৯ সালে তাদের ডিভোর্স হয়ে যায়। এরপর আইনস্টাইন দ্বিতীয় বিবাহ করেন ওই বছরই। দ্বিতীয় স্ত্রীর নাম এলসা। ১৯৩৬ সালে ৭৬ বছর বয়সে এলসা মারা যান।
আইনস্টাইনেরও শারীরিক অবস্থা খারাপ হতে থাকে। তার একটি সার্জারি প্রয়োজন ছিল কিন্তু তিনি তা করাতে চাননি। ১৯৫৫ সালের ১৮ই এপ্রিল এই মহান বিজ্ঞানীর মৃত্যু ঘটে। সেই বছরই একটি তেজস্ক্রিয় মৌল আইনস্টানিয়াম এর আবিষ্কার হয়।
আইনস্টাইনের সম্পর্কে অনেক গল্প প্রচলিত I আপেক্ষিকতার তত্ত্বের ১০টি মজার তথ্য
➤1) আইনস্টাইনের এক সহকর্মী একদিন তাঁর কাছে তাঁর টেলিফোন নম্বরটা চাইলেন। তখন আইনস্টাইন একটি টেলিফোন বই খুঁজে বের করলেন এবং সেই বই থেকে তাঁর নম্বরটা খুঁজতে লাগলেন। তখন সহকর্মী তাকে বললেন, ‘কী ব্যাপার, নিজের টেলিফোন নম্বরটাও মনে নেই আপনার।’ আইনস্টাইন বললেন, ‘না, তার দরকারই বা কী? যেটা আপনি বইতে পাবেন, সে তথ্যটা মুখস্ত করে খরচ করবেন কেন ?’
➤2) আইনস্টাইন ছোটবেলায় তুলনামূলক অনেক দেরীতে কথা বলতে শেখেন। একারণে তাঁর বাবা মা অনেক দুশ্চিন্তায় ছিলেন। একদিন রাতে খাবার টেবিলে বসে সকলে খাচ্ছেন এমন সময় বালক আইনস্টাইন চিৎকার করে বললেন, ‘এই স্যুপটা বড্ড গরম। তাঁর বাবা-মা যেন হাঁফ ছেড়ে বাঁচলেন।
ছেলের মুখে প্রথম কথা শুনে বাবা-মা বেশ অবাক হয়ে তাঁকে জিজ্ঞেস করলেন, ‘আগে তুমি কথা বলোনি কেন?’ উত্তরে আইনস্টাইন বললেন, ‘কারণ এর আগে তো সব ঠিকই ছিল।’
➤3) 1931 সালে কৌতুক অভিনেতা চার্লি চ্যাপলিন আইনস্টাইনকে আমন্ত্রণ জানান তার একটি শো দেখার জন্য। তখন চ্যাপলিনের সিটি লাইটস্ সিনেমার স্কিনিং চলছিল। পরে তারা শহরের পথ ধরে হেঁটে যাচ্ছিলেন, তখন চ্যাপলিন আইনস্টাইনকে জিজ্ঞেস করলেন, ‘সবাই আমাকে সহজেই বোঝে, এজন্যই আমার এতো জনপ্রিয়তা।
কিন্তু মানুষ আপনাকে কেন এতো পছন্দ করে বুঝলাম না।’ আইনস্টাইন সহাস্যে প্রত্যুত্তরে জানালেন, ‘কেউ আমাকে সহজে বুঝতে পারে না বলেই আমার এই জনপ্রিয়তা’।
➤4) একবার আইনস্টাইন ট্রেনে চেপে যাচ্ছিলেন। চেকার সকলের টিকিট চেক করার এক পর্যায়ে আইনস্টাইনের কাছে এসে টিকিট দেখতে চাইলেন। কিন্তু আইনস্টাইন তাঁর টিকিটটি খুঁজে পাচ্ছিলেন না।চেকার আইনস্টাইনকে চিনতে পেরে বললেন, ‘স্যার আপনাকে আমি চিনতে পেরেছি।
আপনি নিশ্চয়ই টিকিট কেটে উঠেছেন। আপনাকে টিকিট দেখাতে হবে না।’ আইনস্টাইন কিছুটা চিন্তিত ভঙ্গিতে বললেন, ‘না, না, ওটা আমাকে খুঁজে বের করতেই হবে। না পেলে আমি জানব কি করে যে আমি কোথায় যাচ্ছিলাম।’
➤5) আইনস্টাইনের কাছে একবার আপেক্ষিকতার সহজ ব্যাখ্যা জানতে চাওয়া হলো। উত্তরে আইনস্টাইন বললেন, ‘আপনার হাত একটা জ্বলন্ত চুল্লীর উপর ধরে রাখুন, মনে হবে এক ঘন্টা পার হয়ে গেছে। কিন্তু একজন সুন্দরী মেয়ের পাশে একঘন্টা বসে থাকুন, আপনার কাছে মনে হবে মাত্র এক মিনিট পার হলো,এটাই
আপেক্ষিকতা।’
➤6) একবার আইনস্টাইন বাইরে থেকে বাড়িতে ফিরে দরজায় কড়া নাড়লেন। ভেতর থেকে তাঁর স্ত্রী ভাবলেন অন্য কেউ হয়তো আইনস্টাইনকে খুঁজতে এসেছেন, তাই তিনি বেশ বিরক্ত হয়ে চেচিয়ে বললেন, আইনস্টাইন বাড়িতে নেই। ব্যস, চিন্তিত আইনস্টাইন কোন কথা না বলে উল্টো হাঁটা ধরলেন।
➤7) আইনস্টাইনের যিনি ড্রাইভার ছিলেন, তিনি একদিন আইনস্টাইনকে বললেন – আপনি প্রতিটি সভায় যে ভাষণ দেন সেইগুলো শুনে শুনে আমার মুখস্থ হয়ে গেছে ।” -আইনস্টাইন তো অবাক!!! উনি তখন বললেন “বেশ তাহলে এর পরের মিটিংয়ে যেখানে যাবো তারা আমাকে চেনেন না, তুমি আমার হয়ে ভাষণ দিও আর আমি ড্রাইভার হয়ে বসে থাকবো।”
-এরপরে সেই সভায় তো ড্রাইভার হুবহু আইনস্টাইন-এর ভাষণ গড় গড় করে বলে গেলেন,,, উপস্থিত বিদ্বজ্জনেরা তুমুল করতালি দিলেন । এরপর তাঁরা ড্রাইভারকে আইনস্টাইন ভেবে গাড়িতে পৌঁছে দিতে এলেন ।
-সেই সময়ে একজন অধ্যাপক ড্রাইভারকে জিজ্ঞেস করলেন “স্যার, ঐ আপেক্ষিক এর যে সংজ্ঞাটা বললেন, আর একবার সংক্ষেপে বুঝিয়ে দেবেন ?”-আসল আইনস্টাইন দেখলেন বিপদ, এবার তো ড্রাইভার ধরা পড়ে যাবে।কিন্তু তিনি ড্রাইভার-এর উত্তর শুনে তাজ্জব হয়ে গেলেন । ড্রাইভার উত্তর দিল।।
-“এই সহজ জিনিসটা আপনার মাথায় ঢোকেনি ? আমার ড্রাইভারকে জিজ্ঞেস করুন সে বুঝিয়ে দেবে ।”
ıllıllı FAQ ıllıllı
Q.1: আলবার্ট আইনস্টাইন কবে এবং কোথায় জন্মগ্রহণ করেছিলেন?
Ans: আলবার্ট আইনস্টাইন ১৮৭৯ সালের ১৪ মার্চ, জার্মানির উলম শহরে জন্মগ্রহণ করেন।
Q.2: আইনস্টাইন কোথায় তার শিক্ষাজীবন শুরু করেছিলেন?
Ans: আইনস্টাইন তার শিক্ষাজীবন মিউনিখের লুইটপোল্ড জিমনেসিয়ামে শুরু করেছিলেন।
Q.3: তিনি কোন প্রতিষ্ঠানে পড়াশোনা করেছিলেন?
Ans: আইনস্টাইন ১৮৯৬ সালে জুরিখের সুইস ফেডারেল পলিটেকনিক স্কুলে পড়াশোনা করতে প্রবেশ করেন।
Q.4: আইনস্টাইন কখন সুইস নাগরিকত্ব লাভ করেন?
Ans: আইনস্টাইন ১৯০১ সালে তার ডিপ্লোমা পাওয়ার বছর সুইস নাগরিকত্ব অর্জন করেন।
Q.5:আইনস্টাইন কোন বছর আমেরিকায় চলে যান?
Ans: আইনস্টাইন ১৯৩৩ সালে রাজনৈতিক কারণে তার নাগরিকত্ব ত্যাগ করে আমেরিকায় চলে যান।
Q.6: আইনস্টাইন কী কারণে বিখ্যাত?
Ans: আইনস্টাইন তার বিশেষ এবং সাধারণ আপেক্ষিকতাবাদ তত্ত্ব, পরমাণু তত্ত্ব এবং কোয়ান্টাম তত্ত্বে অবদান রাখার জন্য বিখ্যাত।
Q.7: আইনস্টাইন কখন এবং কোথায় মৃত্যুবরণ করেন?
Ans: আইনস্টাইন ১৯৫৫ সালের ১৮ এপ্রিল, নিউ জার্সির প্রিন্সটনে মৃত্যুবরণ করেন।
- ডিমোক্রিটাস: যে মানুষটা হাসতে হাসতে মহাবিশ্বের রহস্য সমাধান করেছিলেন
একটা মানুষ, যিনি প্রতিদিন রাস্তায় হাঁটতেন আর মানুষের বোকামি দেখে হাসতেন। প্রতিবেশীরা ভাবত লোকটার মাথা খারাপ হয়ে গেছে। কিন্তু সেই “পাগল” মানুষটাই আজ থেকে আড়াই হাজার বছর আগে এমন একটা তত্ত্ব দিয়ে গেছেন, যা আধুনিক পদার্থবিজ্ঞানের একদম ভিত্তিপ্রস্তর। তাঁর নাম ডিমোক্রিটাস। আবডেরার সেই হাসিখুশি দার্শনিক, যাঁকে ইতিহাস স্মরণ করে “দ্য লাফিং ফিলোসফার” নামে। আজ একটু … - পশ্চিমবঙ্গ বাজেট ২০২৬-২৭: শিক্ষা আর চাকরির ক্ষেত্রে কী কী বদল আসছে, এক নজরে দেখে নিন
২২শে জুন, ২০২৬-এ বিধানসভায় পেশ হলো রাজ্যের ২০২৬-২৭ অর্থবর্ষের বাজেট। এবারের ভাবনার কেন্দ্রে আছে “পঞ্চশক্তি” — পাঁচটা স্তম্ভের উপর দাঁড়িয়ে রাজ্যকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা। তার মধ্যে দুটো স্তম্ভ সরাসরি ছুঁয়ে যাচ্ছে রাজ্যের ছাত্রছাত্রী আর চাকরিপ্রার্থীদের জীবন — একটা হলো জ্ঞান-শক্তি, অর্থাৎ শিক্ষা ও মানব-মূলধন, আর অন্যটা সেবা-শক্তি, যার অধীনে এসেছে বড় নিয়োগের ঘোষণা। আপনি … - অ্যারিস্টটল: যে বিজ্ঞানী ২,০০০ বছর ধরে পৃথিবীর চিন্তা নিয়ন্ত্রণ করেছিলেন
চীন গ্রিসের এক অসাধারণ বিজ্ঞানী ও দার্শনিকের জীবন, কাজ এবং অবিনশ্বর উত্তরাধিকারের গল্প কল্পনা করুন — খ্রিস্টপূর্ব চতুর্থ শতাব্দীর এথেন্স শহর। রাস্তাঘাটে দার্শনিকদের তর্ক, বাজারে বণিকদের কোলাহল, আর সমুদ্রের ধারে জেলেদের নৌকা। সেই পরিবেশে একজন মানুষ প্রতিদিন সকালে লাইসিয়াম নামের বাগানটিতে হাঁটতে হাঁটতে তাঁর ছাত্রদের পড়াতেন। হাঁটতে হাঁটতে পড়ানোর এই অভ্যাসের জন্যই তাঁর অনুগামীরা পরিচিতি … - অন্নপূর্ণা যোজনায় ভেরিফিকেশন শুরু হয়ে গেল — কারা বাদ পড়বেন, পোর্টাল কোথায়, কীভাবে চেক করবেন? সম্পূর্ণ আপডেট
অন্নপূর্ণা যোজনার ভেরিফিকেশন শুরু, পোর্টালও চালু — এখনই জেনে নিন আপনার কী করণীয় গতকাল যে বিজ্ঞপ্তিতে অন্নপূর্ণা যোজনার ঘোষণা হয়েছিল, তার পরের ধাপ শুরু হয়ে গেছে প্রায় সঙ্গে সঙ্গেই। পশ্চিমবঙ্গ সরকারের সেক্রেটারির পক্ষ থেকে রাজ্যের সমস্ত জেলার জেলাশাসক (DM) এবং কলকাতা মিউনিসিপাল কর্পোরেশনের কমিশনারকে একটি বিশেষ নির্দেশিকা পাঠানো হয়েছে — “Request for Verification of Annapurna … - লক্ষ্মীর ভাণ্ডার বন্ধ হয়ে এলো অন্নপূর্ণা যোজনা — এবার প্রতি মাসে ₹৩০০০! কারা পাবেন, কীভাবে আবেদন করবেন?
Annapurna Yojana West Bengal 2026 — মাসে ₹৩০০০ সরাসরি ব্যাংকে, ১ জুন থেকেই শুরু অনেকদিন ধরেই গুঞ্জন চলছিল। অবশেষে সরকারি নথিতে সেটা নিশ্চিত হয়ে গেল। এসে গেল Annapurna Yojana West Bengal 2026 পশ্চিমবঙ্গ সরকারের মহিলা ও শিশু উন্নয়ন এবং সমাজকল্যাণ বিভাগ ১৯ মে ২০২৬ তারিখে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে। বিজ্ঞপ্তি নম্বর 2411-WCD/O/AB-4/2026-এ জানানো হয়েছে, … - ১ জুন থেকে পশ্চিমবঙ্গের সব মহিলা সরকারি বাসে বিনামূল্যে যাতায়াত করতে পারবেন — ডিজিটাল স্মার্ট কার্ড কীভাবে পাবেন, কোথায় আবেদন করবেন?
West Bengal Free Bus Travel Women 2026, টিকিট লাগবে না — পশ্চিমবঙ্গ সরকারের এই সিদ্ধান্ত লক্ষ লক্ষ পরিবারের জীবন বদলে দিতে পারে প্রতিদিন সকালে বাসের জন্য দাঁড়িয়ে থাকা, ভিড়ের মধ্যে ঠেলাঠেলি করে উঠা, তারপর পকেট থেকে টাকা বের করে টিকিট কাটা — রাজ্যের কোটি কোটি মহিলার কাছে এই ছবিটা এবার বদলে যেতে চলেছে। পশ্চিমবঙ্গ সরকার …
আরোও দেখো :-
আরোও দেখো :-
আরোও দেখো :-
আরোও দেখো:-
আরোও দেখো:-
অসংখ্য ধন্যবাদ সময় করে আমাদের এই ”আলবার্ট আইনস্টাইন” পােস্টটি পড়ার জন্য। WBBSE Solutions For Class 10, আলবার্ট আইনস্টাইন এই ভাবেই ওয়েবসাইটের পাশে থাকো । যেকোনো প্ৰশ্ন উত্তর জানতে এই ওয়েবসাইট টি ফলাে করো এবং নিজেকে তথ্য সমৃদ্ধ করে তোলো , ধন্যবাদ।