
আধুনিক পদার্থবিদ্যার জনক আলবার্ট আইনস্টাইন জার্মানিতে জন্মগ্রহণ করেন। ১৯২১ সালে তিনি পদার্থবিদ্যায় নোবেল পুরস্কার পান। সাধারণ মানুষের চিন্তার অতীত একটি বিষয় ‘জেনারেল থিওরি অফ রিলেটিভিটি‘ বিষয়ে তিনি নোবেল পুরস্কার পান। তাকে 21 শতকের সেরা পদার্থবিদ এবং গণিতবিদ বলা চলে
১৮৭৯ সালের ১৪ই মার্চ আইনস্টাইনের জন্ম হয় জার্মানির উলম শহরে। তার পিতার নাম হারম্যান এবং মায়ের নাম পাওলিন আইনস্টাইন। আইনস্টাইনের পিতা একটি ইলেকট্রনিক্স কোম্পানিতে কাজ করতেন। পদার্থবিদ্যা এবং বিজ্ঞানের নানা বিষয়ে আলবার্ট আইনস্টাইনের আগ্রহের সূচনা হয়েছিল তার বাবার কাছ থেকেই। ১৮৮০ সালে তার পরিবার জার্মানির মিউনিখ শহরে চলে আসে
আইনস্টাইনে যখন পাঁচ বছর বয়স তখন তার পড়াশোনা শুরু হয় ক্যাথলিক এলিমেন্টারি স্কুলে। কথিত আছে আইনস্টাইনের বাবা তাকে একটি কম্পাস দিয়ে বলেছিলেন কেন কম্পাসের একটি প্রান্ত সব সময় উত্তর দিকে মুখ করে থাকে।
আইনস্টাইনের মত মস্তিষ্ক খুব কমই পৃথিবীতে দেখা গেছে তাই তাকে জিনিয়াস বলা হয়ে থাকে।
সঙ্গীতজ্ঞ আইনস্টাইন
অনেক ছোট বেলায় থেকেই তিনি ভায়োলিন বা বেহালা বাজানো শিখেছিলেন। কিন্তু ছেলেবেলায় তার কথা বলার জড়তা ছিল এবং তিনি দ্রুত কথা বলতেও পারতেন না। কিন্তু পরবর্তীকালে তিনি অসাধারণ প্রতিভার নমুনা দেখিয়েছেন। আইনস্টাইনের মা খুব ভালো পিয়ানো বাজাতেন আর তিনি সারা জীবন সংগীত এবং বাদ্যযন্ত্রের ভক্ত ছিলেন।
আইনস্টাইনের পড়াশুনা I Albert Einstein in Bengali
১৮৮৮ সালে তিনি লুইটপোল্ড জিমনেসিয়ামে ভর্তি হন। স্কুল জীবনে তিনি গণিত এবং বিজ্ঞান খুব ভালোবাসতেন। গণিতের মধ্যে ক্যালকুলাস ছিল তার প্রিয় বিষয়। ১৮৯৫ সালে তিনি আরগাও তে স্কুলে ভর্তি হন। এর পরের বছর জুরিক পলিটেকনিকে পড়াশোনা করেন। তার যখন ১৭ বছর বয়স তখন তিনি পদার্থবিদ্যা এবং গণিত নিয়ে চার বছরের ডিপ্লোমা কোর্স করছেন।
১৯০০ সালে জুরিক পলিটেকনিক থেকে ডিপ্লোমা লাভ করেন। ১৯০৫ সালে আইনস্টাইন ডক্টরেট ডিগ্রী লাভ করেন। ডক্টরেট ডিগ্রি লাভ করার জন্য তিনি কয়েকটি পেপার পাবলিশ করেন যার মধ্যে চারটি তখনকার স্বনামধন্য ফিজিক্স জার্নালে প্রকাশিত হয়েছিল। সেই বছর থেকেই মানুষ তাকে একজন স্বনামধন্য বিজ্ঞানী হিসেবে চিনতে শুরু করে।
কর্মজীবন
অথচ এই স্বনামধন্য বিজ্ঞানীর কর্মজীবন শুরু হয় একজন সাধারণ ক্লার্ক হিসাবে সুইস পেটেন্ট অফিসে। অফিসে কাজ করার ফাঁকে ফাঁকে তিনি এক এক করে তার গবেষণার পেপার পাবলিশ করতে থাকেন। চলতে থাকে গবেষণার কাজও।
আপেক্ষিকতাবাদ, টাইম ও স্পেস I আপেক্ষিকতার তত্ত্ব কী? আলবার্ট আইনস্টাইনের ভূমিকা
তার জীবনের সব থেকে বড় সাফল্য আপেক্ষিকতাবাদ এবং কোয়ান্টাম তত্ত্ব। তারই তথ্যগুলি তখনকার বিজ্ঞানের ধারণাকে সম্পূর্ণরূপে ভেঙ্গে দিয়েছিল এবং ১৯০৫ সাল থেকেই বলা যায় আধুনিক পদার্থবিদ্যার সূচনা হয়েছিল।
তিনি মানুষকে ভাবতে শিখিয়েছিলেন টাইম এবং পদার্থ সম্পর্কে। পৃথিবীর টান বা অভিকর্ষ সম্পর্কে তিনি নতুন ধারণার জন্ম দেন। কারণ তিনি বিশ্বাস করতেন তখনকার পৃথিবীর টান সম্পর্কে যে ধারণা তা ছিল ভ্রান্ত পরে তার এই তথ্যগুলি সঠিক প্রমাণিত হয়েছিল। আপেক্ষিকতাবাদ তত্ত্বের সাপেক্ষে সূর্য গ্রহণের সময় তিনি প্রমাণ করেছিলেন।
আলো তরঙ্গ হলেও এটি যে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র ফোটনের সমষ্টি, তাই তিনি প্রথম বলেন। এবং আলো যখন কোন পদার্থের উপরে পড়ে তখন সেখান থেকে ইলেকট্রনের নির্গমন ঘটে, এই ঘটনা পদার্থবিদ্যায় ফটো ইলেকট্রিক ইফেক্ট নামে পরিচিত। এটি আইনস্টাইন আবিষ্কার করেন তার সাথে তিনি ১৯২১ সালে নোবেল পুরস্কারও পান এই বিষয়ে।
আইনস্টাইনের ভর ও শক্তির তুল্যতা নীতি
তিনি আরো বলেন ভর শক্তিতে এবং শক্তি ভরে রূপান্তরিত হতে পারে এই সংক্রান্ত বিখ্যাত E=mc2 সূত্র আবিষ্কার করেন। এই তত্ত্বের উপর ভিত্তি করে পরমাণু বোমা আবিষ্কার হয়। ১৯১১ সালে চার্লস ফার্ডিনন্দ ইউনিভার্সিটিতে প্রফেসর হিসেবে যোগ দেন। তার জীবনের বেশিরভাগ অংশই তিনি কাটিয়েছেন প্রফেসার হিসেবে তিনি হাম বোল্ট ইউনিভার্সিটিতেও প্রফেসর হিসেবে ছিলেন। ১৯১৬ সালে জার্মান ফিজিক্যাল সোসাইটির প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন এবং ১৯২১ সালে আইনস্টাইনের কাজ নিউইয়র্ক শহরের মেয়র দ্বারা স্বীকৃত হয়। তিনি আইনস্টাইনকে নিউইয়র্ক শহরে এসে থাকার আহ্বান জানান।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে পরমাণু বোমার ব্যবহার
এরপর দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয় ১৯৩৯ সালে এবং ১৯৪৫ সালে এই যুদ্ধের সমাপ্তি ঘটে। আইনস্টাইনের বহু আবিষ্কারের মধ্যে পরমাণু বোমা আবিষ্কার মানুষের বিপদ ডেকে এনেছিল। এবং দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জাপানের হিরোশিমা ও নাগাসাকি শহরে পরমাণু বোমা বিস্ফোরণ ঘটানো হয়। বহু নিরপরাধ সাধারণ মানুষের মৃত্যু ঘটে। ১৯৫৪ সাল পর্যন্ত আইনস্টাইন তিনশোরও বেশি গবেষণার কাজ করেছেন। বিজ্ঞানের এত উন্নতি হলেও আজও তার তথ্যগুলো মহাবিশ্ব এবং মহাবিশ্বের সূত্র গুলি জানতে ব্যবহার করা হয়। তার আবিষ্কৃত তথ্য নিয়ে নিরন্তর গবেষণা করে তুলেছেন আমাদের বিজ্ঞানীরা।
তাকে সারা জীবনে অসংখ্য পুরস্কার দেওয়া হয়েছে। আধুনিক বিজ্ঞানে তার অবদানের জন্য। 1929 সালে তিনি ম্যাক্স প্লাঙ্ক মেডেল পান জার্মান ফিজিক্যাল সোসাইটি থেকে। তিনি ফ্রাঙ্কলিন মেডেল পান ফ্রাঙ্কলিন ইনস্টিটিউট থেকে ফটো ইলেক্ট্রিক এফেক্ট আবিষ্কারের জন্য।
আলবার্ট আইনস্টাইন কে ছিলেন? জানুন বিস্তারিত
১৯০৩ সালে তার বিবাহ হয় মিলেভা মেরিক এর সাথে। তাদের তিন সন্তান জন্মগ্রহণ করে। কিন্তু খুব বেশিদিন তাদের বিয়ে টেকেনি এবং ১৯১৯ সালে তাদের ডিভোর্স হয়ে যায়। এরপর আইনস্টাইন দ্বিতীয় বিবাহ করেন ওই বছরই। দ্বিতীয় স্ত্রীর নাম এলসা। ১৯৩৬ সালে ৭৬ বছর বয়সে এলসা মারা যান।
আইনস্টাইনেরও শারীরিক অবস্থা খারাপ হতে থাকে। তার একটি সার্জারি প্রয়োজন ছিল কিন্তু তিনি তা করাতে চাননি। ১৯৫৫ সালের ১৮ই এপ্রিল এই মহান বিজ্ঞানীর মৃত্যু ঘটে। সেই বছরই একটি তেজস্ক্রিয় মৌল আইনস্টানিয়াম এর আবিষ্কার হয়।
আইনস্টাইনের সম্পর্কে অনেক গল্প প্রচলিত I আপেক্ষিকতার তত্ত্বের ১০টি মজার তথ্য
➤1) আইনস্টাইনের এক সহকর্মী একদিন তাঁর কাছে তাঁর টেলিফোন নম্বরটা চাইলেন। তখন আইনস্টাইন একটি টেলিফোন বই খুঁজে বের করলেন এবং সেই বই থেকে তাঁর নম্বরটা খুঁজতে লাগলেন। তখন সহকর্মী তাকে বললেন, ‘কী ব্যাপার, নিজের টেলিফোন নম্বরটাও মনে নেই আপনার।’ আইনস্টাইন বললেন, ‘না, তার দরকারই বা কী? যেটা আপনি বইতে পাবেন, সে তথ্যটা মুখস্ত করে খরচ করবেন কেন ?’
➤2) আইনস্টাইন ছোটবেলায় তুলনামূলক অনেক দেরীতে কথা বলতে শেখেন। একারণে তাঁর বাবা মা অনেক দুশ্চিন্তায় ছিলেন। একদিন রাতে খাবার টেবিলে বসে সকলে খাচ্ছেন এমন সময় বালক আইনস্টাইন চিৎকার করে বললেন, ‘এই স্যুপটা বড্ড গরম। তাঁর বাবা-মা যেন হাঁফ ছেড়ে বাঁচলেন।
ছেলের মুখে প্রথম কথা শুনে বাবা-মা বেশ অবাক হয়ে তাঁকে জিজ্ঞেস করলেন, ‘আগে তুমি কথা বলোনি কেন?’ উত্তরে আইনস্টাইন বললেন, ‘কারণ এর আগে তো সব ঠিকই ছিল।’
➤3) 1931 সালে কৌতুক অভিনেতা চার্লি চ্যাপলিন আইনস্টাইনকে আমন্ত্রণ জানান তার একটি শো দেখার জন্য। তখন চ্যাপলিনের সিটি লাইটস্ সিনেমার স্কিনিং চলছিল। পরে তারা শহরের পথ ধরে হেঁটে যাচ্ছিলেন, তখন চ্যাপলিন আইনস্টাইনকে জিজ্ঞেস করলেন, ‘সবাই আমাকে সহজেই বোঝে, এজন্যই আমার এতো জনপ্রিয়তা।
কিন্তু মানুষ আপনাকে কেন এতো পছন্দ করে বুঝলাম না।’ আইনস্টাইন সহাস্যে প্রত্যুত্তরে জানালেন, ‘কেউ আমাকে সহজে বুঝতে পারে না বলেই আমার এই জনপ্রিয়তা’।
➤4) একবার আইনস্টাইন ট্রেনে চেপে যাচ্ছিলেন। চেকার সকলের টিকিট চেক করার এক পর্যায়ে আইনস্টাইনের কাছে এসে টিকিট দেখতে চাইলেন। কিন্তু আইনস্টাইন তাঁর টিকিটটি খুঁজে পাচ্ছিলেন না।চেকার আইনস্টাইনকে চিনতে পেরে বললেন, ‘স্যার আপনাকে আমি চিনতে পেরেছি।
আপনি নিশ্চয়ই টিকিট কেটে উঠেছেন। আপনাকে টিকিট দেখাতে হবে না।’ আইনস্টাইন কিছুটা চিন্তিত ভঙ্গিতে বললেন, ‘না, না, ওটা আমাকে খুঁজে বের করতেই হবে। না পেলে আমি জানব কি করে যে আমি কোথায় যাচ্ছিলাম।’
➤5) আইনস্টাইনের কাছে একবার আপেক্ষিকতার সহজ ব্যাখ্যা জানতে চাওয়া হলো। উত্তরে আইনস্টাইন বললেন, ‘আপনার হাত একটা জ্বলন্ত চুল্লীর উপর ধরে রাখুন, মনে হবে এক ঘন্টা পার হয়ে গেছে। কিন্তু একজন সুন্দরী মেয়ের পাশে একঘন্টা বসে থাকুন, আপনার কাছে মনে হবে মাত্র এক মিনিট পার হলো,এটাই
আপেক্ষিকতা।’
➤6) একবার আইনস্টাইন বাইরে থেকে বাড়িতে ফিরে দরজায় কড়া নাড়লেন। ভেতর থেকে তাঁর স্ত্রী ভাবলেন অন্য কেউ হয়তো আইনস্টাইনকে খুঁজতে এসেছেন, তাই তিনি বেশ বিরক্ত হয়ে চেচিয়ে বললেন, আইনস্টাইন বাড়িতে নেই। ব্যস, চিন্তিত আইনস্টাইন কোন কথা না বলে উল্টো হাঁটা ধরলেন।
➤7) আইনস্টাইনের যিনি ড্রাইভার ছিলেন, তিনি একদিন আইনস্টাইনকে বললেন – আপনি প্রতিটি সভায় যে ভাষণ দেন সেইগুলো শুনে শুনে আমার মুখস্থ হয়ে গেছে ।” -আইনস্টাইন তো অবাক!!! উনি তখন বললেন “বেশ তাহলে এর পরের মিটিংয়ে যেখানে যাবো তারা আমাকে চেনেন না, তুমি আমার হয়ে ভাষণ দিও আর আমি ড্রাইভার হয়ে বসে থাকবো।”
-এরপরে সেই সভায় তো ড্রাইভার হুবহু আইনস্টাইন-এর ভাষণ গড় গড় করে বলে গেলেন,,, উপস্থিত বিদ্বজ্জনেরা তুমুল করতালি দিলেন । এরপর তাঁরা ড্রাইভারকে আইনস্টাইন ভেবে গাড়িতে পৌঁছে দিতে এলেন ।
-সেই সময়ে একজন অধ্যাপক ড্রাইভারকে জিজ্ঞেস করলেন “স্যার, ঐ আপেক্ষিক এর যে সংজ্ঞাটা বললেন, আর একবার সংক্ষেপে বুঝিয়ে দেবেন ?”-আসল আইনস্টাইন দেখলেন বিপদ, এবার তো ড্রাইভার ধরা পড়ে যাবে।কিন্তু তিনি ড্রাইভার-এর উত্তর শুনে তাজ্জব হয়ে গেলেন । ড্রাইভার উত্তর দিল।।
-“এই সহজ জিনিসটা আপনার মাথায় ঢোকেনি ? আমার ড্রাইভারকে জিজ্ঞেস করুন সে বুঝিয়ে দেবে ।”
ıllıllı FAQ ıllıllı
Q.1: আলবার্ট আইনস্টাইন কবে এবং কোথায় জন্মগ্রহণ করেছিলেন?
Ans: আলবার্ট আইনস্টাইন ১৮৭৯ সালের ১৪ মার্চ, জার্মানির উলম শহরে জন্মগ্রহণ করেন।
Q.2: আইনস্টাইন কোথায় তার শিক্ষাজীবন শুরু করেছিলেন?
Ans: আইনস্টাইন তার শিক্ষাজীবন মিউনিখের লুইটপোল্ড জিমনেসিয়ামে শুরু করেছিলেন।
Q.3: তিনি কোন প্রতিষ্ঠানে পড়াশোনা করেছিলেন?
Ans: আইনস্টাইন ১৮৯৬ সালে জুরিখের সুইস ফেডারেল পলিটেকনিক স্কুলে পড়াশোনা করতে প্রবেশ করেন।
Q.4: আইনস্টাইন কখন সুইস নাগরিকত্ব লাভ করেন?
Ans: আইনস্টাইন ১৯০১ সালে তার ডিপ্লোমা পাওয়ার বছর সুইস নাগরিকত্ব অর্জন করেন।
Q.5:আইনস্টাইন কোন বছর আমেরিকায় চলে যান?
Ans: আইনস্টাইন ১৯৩৩ সালে রাজনৈতিক কারণে তার নাগরিকত্ব ত্যাগ করে আমেরিকায় চলে যান।
Q.6: আইনস্টাইন কী কারণে বিখ্যাত?
Ans: আইনস্টাইন তার বিশেষ এবং সাধারণ আপেক্ষিকতাবাদ তত্ত্ব, পরমাণু তত্ত্ব এবং কোয়ান্টাম তত্ত্বে অবদান রাখার জন্য বিখ্যাত।
Q.7: আইনস্টাইন কখন এবং কোথায় মৃত্যুবরণ করেন?
Ans: আইনস্টাইন ১৯৫৫ সালের ১৮ এপ্রিল, নিউ জার্সির প্রিন্সটনে মৃত্যুবরণ করেন।
- বাক্য দশম শ্রেণি বাংলা ব্যাকরণ | সম্পূর্ণ প্রশ্নোত্তর ও বাক্যের রূপান্তর | Madhyamik Bengali| WBBSE Class 10
বাক্য দশম শ্রেণি বাংলা ব্যাকরণ অধ্যায়ের সম্পূর্ণ নোটস — বাক্যের সংজ্ঞা, গঠনগত ও অর্থগত শ্রেণিবিভাগ, বাক্যের রূপান্তর এবং বিস্তারিত প্রশ্নোত্তর। মাধ্যমিক পরীক্ষার জন্য আদর্শ। বাক্য দশম শ্রেণি বাংলা ব্যাকরণ অধ্যায় সারসংক্ষেপ: madhyamik bakyo ভাষার বৃহত্তম একক হল বাক্য। এক বা একাধিক পদের দ্বারা গঠিত যে পদসমষ্টি বক্তার মনের ভাব সম্পূর্ণরূপে প্রকাশ করে তাকে বাক্য বলে। … - বাচ্য | দশম শ্রেণী বাংলা ব্যাকরণ | সম্পূর্ণ প্রশ্নোত্তর ও সারসংক্ষেপ | WBBSE Class 10
বাচ্য দশম শ্রেণী বাংলা ব্যাকরণ অধ্যায়ের সম্পূর্ণ সারসংক্ষেপ, MCQ, সংক্ষিপ্ত ও রচনাধর্মী প্রশ্নোত্তর। কর্তৃবাচ্য, কর্মবাচ্য, ভাববাচ্য ও কর্মকর্তৃবাচ্য বিস্তারিত আলোচনাসহ। WBBSE পরীক্ষার জন্য আদর্শ বাচ্য দশম শ্রেণী বাংলা ব্যাকরণ বাচ্য দশম শ্রেণী বাংলা ব্যাকরণ: অধ্যায় সারসংক্ষেপ বাক্যের মধ্যে সমাপিকা ক্রিয়া কখনো কর্তার সঙ্গে, কখনো কর্মের সঙ্গে মিলে চলে, আবার কখনো কোনোটির সঙ্গেই মিলে না — … - মাধ্যমিক বাংলা নতুন প্রশ্ন কাঠামো ২০২৫ | WBBSE দশম শ্রেণি বাংলা নম্বর বিভাজন সম্পূর্ণ গাইড
মাধ্যমিক বাংলা নতুন প্রশ্ন কাঠামো ও নম্বর বিভাজন বিস্তারিত জানুন। MCQ, VSA, SA এবং রচনাধর্মী প্রশ্নের মার্কস, শব্দ সীমা ও পরীক্ষার কৌশল — সব কিছু এক জায়গায়। মাধ্যমিক পরীক্ষার প্রস্তুতিতে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রথম পদক্ষেপ হল — প্রশ্নের কাঠামো ভালোভাবে জানা। কোন বিভাগে কত নম্বর, কোন ধরনের প্রশ্ন আসে, উত্তর কতটা লম্বা হওয়া উচিত — এটা … - নদীর বিদ্রোহ প্রশ্নোত্তর | মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় | দশম শ্রেণি বাংলা সম্পূর্ণ গাইড
দশম শ্রেণির বাংলা পাঠ্যপুস্তকের নদীর বিদ্রোহ প্রশ্নোত্তর, সম্পূর্ণ সারসংক্ষেপ, লেখক পরিচিতি ও প্রশ্নোত্তর — অতিসংক্ষিপ্ত, সংক্ষিপ্ত ও রচনাধর্মী প্রশ্ন। মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের গল্পের বিশ্লেষণ ও মাধ্যমিক সাজেশন। লেখক পরিচিতি: নদীর বিদ্রোহ প্রশ্নোত্তর মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় (১৯০৮–১৯৫৬) বাংলা সাহিত্যের এক অসাধারণ প্রতিভাবান লেখক। তাঁর আসল নাম প্রবোধকুমার বন্দ্যোপাধ্যায়। সাঁওতাল পরগনার দুমকায় তাঁর জন্ম, আদিনিবাস বর্তমান বাংলাদেশের অন্তর্গত ঢাকা … - বাংলা ভাষায় বিজ্ঞান প্রশ্নোত্তর | রাজশেখর বসু | দশম শ্রেণি বাংলা সম্পূর্ণ গাইড
দশম শ্রেণির বাংলা পাঠ্যক্রমের ‘বাংলা ভাষায় বিজ্ঞান’ প্রবন্ধের সম্পূর্ণ সারসংক্ষেপ, লেখক পরিচিতি ও প্রশ্নোত্তর — অতিসংক্ষিপ্ত, সংক্ষিপ্ত ও রচনাধর্মী প্রশ্ন। রাজশেখর বসুর প্রবন্ধ বিশ্লেষণ ও মাধ্যমিক সাজেশন লেখক পরিচিতি রাজশেখর বসু (১৮৮০–১৯৬০) বাংলা সাহিত্যে ‘পরশুরাম‘ ছদ্মনামে চিরস্মরণীয়। ১৮৮০ খ্রিস্টাব্দের ১৬ মার্চ বর্ধমান জেলার শক্তিগড়ের কাছে বামুনপাড়ায় তাঁর জন্ম। বাংলা সাহিত্যে রসরচনার ক্ষেত্রে তিনি অতুলনীয়। ‘গড্ডালিকা’, … - অস্ত্রের বিরুদ্ধে গান কবিতার প্রশ্নোত্তর | জয় গোস্বামী | দশম শ্রেণি বাংলা সম্পূর্ণ গাইড
দশম শ্রেণির বাংলা পাঠ্যক্রমের অস্ত্রের বিরুদ্ধে গান কবিতার প্রশ্নোত্তর, সম্পূর্ণ সারসংক্ষেপ, কবি পরিচিতি ও প্রশ্নোত্তর — অতিসংক্ষিপ্ত, সংক্ষিপ্ত ও রচনাধর্মী। অস্ত্রের বিরুদ্ধে গান কবিতার প্রশ্নোত্তর: সারসংক্ষেপ জয় গোস্বামীর ‘অস্ত্রের বিরুদ্ধে গান’ একটি যুগসচেতন ও মানবতাবাদী কবিতা। তিনটি অসমান স্তবকে — পাঁচ, ছয় ও সাত পঙক্তিতে — কবি এঁকেছেন হিংসার বিরুদ্ধে গানের এক অনন্য বিদ্রোহ। কবিতায় …
আরোও দেখো :-
আরোও দেখো :-
আরোও দেখো :-
আরোও দেখো:-
আরোও দেখো:-
অসংখ্য ধন্যবাদ সময় করে আমাদের এই ”আলবার্ট আইনস্টাইন” পােস্টটি পড়ার জন্য। WBBSE Solutions For Class 10, আলবার্ট আইনস্টাইন এই ভাবেই ওয়েবসাইটের পাশে থাকো । যেকোনো প্ৰশ্ন উত্তর জানতে এই ওয়েবসাইট টি ফলাে করো এবং নিজেকে তথ্য সমৃদ্ধ করে তোলো , ধন্যবাদ।