জন্ম: ৪ঠা সেপ্টেম্বর, ১৮২৫
মৃত্যু: ৩০শে জুন, ১৯১৭

দাদাভাই নওরোজি র জন্ম বোম্বাইয়ে ১৮২৫ সালে। তার পরিবার ছিল ধনী সম্ভ্রান্ত পার্শি পরিবার। তিনি ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের অন্যতম প্রাণপুরুষ।
তার কর্মজীবন শুরু হয় ১৮৫০ সালে বোম্বাইয়ের এলিফিন স্টোন কলেজে গণিত ও পদার্থবিদ্যার অধ্যাপক হিসেবে। পরবর্তীকালে অধ্যাপনা ছেড়ে দিয়ে পারিবারিক ব্যবসায় যোগদান করেন এবং ১৮৫৫ সালে বিদেশ যান। মনের মধ্যে স্বাধীনতার স্বপ্ন নিয়ে তিনি বিদেশে থাকাকালীন দুটি জাতীয়তাবাদী সংগঠন গড়ে তোলেন যার একটি হল ইন্ডিয়ান সোসাইটি অপরটি হল ইন্ডিয়ান অ্যাসোসিয়েশন।
The first Indian MP: Dadabhai Naoroji in Bengali | A Timeline of Dadabhai Naoroji’s Life in Bengali
ইংরেজরা যে ভারতীয় সম্পদ বিদেশে নিয়ে চলে যাচ্ছে এই দিকটিই তিনি গুরুত্ব দিয়ে সবার সামনে তুলে ধরেন। এটা কি বলা হয় ইকোনমিক ড্রেন থিওরি। দেশের শিক্ষিত সমাজ ভাবতে ও বুঝতে শেখে ইংরেজ শাসনের ফলে কিভাবে দেশের আর্থিক ক্ষতি হচ্ছে। তাই তাকে ভারতের অর্থনৈতিক জাতীয়তাবাদের পথিকৃৎ বলা হয়ে থাকে। কিন্তু মনে প্রাণে ভারতীয় হওয়া সত্ত্বেও বিলেতের পার্লামেন্টের সদস্য হবার ইচ্ছা তার ছিল। ১৮৯২ সালে সেন্ট্রাল ফিন্সবেরি থেকে লিবারেল দলের হয়ে নির্বাচিত হয়ে কমন্স সভার সদস্য হয়েছিলেন।
তিনি ১৮৮৬, ১৮৯৩ এবং ১৯০৬ সালে জাতীয় কংগ্রেসের বাৎসরিক অধিবেশনের সভাপতিত্ব করেছিলেন। তিনি বোম্বাইয়ের আইন পরিষদের সদস্য ছিলেন। তার বিখ্যাত বইয়ের নাম “Proverty and Un-British Rule in India”.
ভারতে জাতীয়তাবাদের ইতিহাস চর্চার অন্যতম আকর গ্রন্থ এটি। ভারত ব্রিটিশ শাসনকে অমানবিক ও নৃশংস বলে চিহ্নিত করেছেন তিনি। ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনে ‘স্বরাজ’ শব্দটি তিনিই প্রথম পরিচিতি ঘটান। স্বদেশী আন্দোলনের সাথে প্রায় ৬০ বছর সক্রিয়ভাবে যুক্ত ছিলেন। তাই তিনি ভারতীয়দের কাছে ‘The Grand Old man‘ নামে সুপরিচিত ছিলেন।
কৃতজ্ঞতা: অধ্যাপক রাখালচন্দ্র নাথ
🅵🅰🆀
Q.1: দাদাভাই নওরোজির জন্ম কোথায় এবং কবে?
Ans: দাদাভাই নওরোজির জন্ম ১৮২৫ সালে বোম্বাইয়ে (বর্তমানে মুম্বাই) এক ধনী সম্ভ্রান্ত পার্শি পরিবারে।
Q.2: তিনি কোন রাজনৈতিক সংগঠনের সাথে যুক্ত ছিলেন?
Ans: দাদাভাই নওরোজি ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের অন্যতম প্রাণপুরুষ ছিলেন এবং তিনবার এই কংগ্রেসের বাৎসরিক অধিবেশনের সভাপতিত্ব করেছেন (১৮৮৬, ১৮৯৩, ১৯০৬ সালে)।
Q.3: তার কর্মজীবনের শুরু কোথায়?
Ans: তার কর্মজীবন শুরু হয়েছিল বোম্বাইয়ের এলিফিন স্টোন কলেজে ১৮৫০ সালে গণিত ও পদার্থবিদ্যার অধ্যাপক হিসেবে।
Q.4: তিনি কোন কোন জাতীয়তাবাদী সংগঠন প্রতিষ্ঠা করেছিলেন?
Ans:বিদেশে থাকাকালীন দাদাভাই নওরোজি দুটি জাতীয়তাবাদী সংগঠন প্রতিষ্ঠা করেন – ইন্ডিয়ান সোসাইটি এবং ইন্ডিয়ান অ্যাসোসিয়েশন।
Q.5:ইকোনমিক ড্রেন থিওরি কী?
Ans:ইকোনমিক ড্রেন থিওরি অনুযায়ী, ইংরেজরা ভারতীয় সম্পদ বিদেশে নিয়ে যাচ্ছিল, যা ভারতের আর্থিক ক্ষতির কারণ ছিল। দাদাভাই নওরোজি এই তত্ত্বটি গুরুত্ব সহকারে সবার সামনে তুলে ধরেন।
Q.6: দাদাভাই নওরোজি কীভাবে ভারতের অর্থনৈতিক জাতীয়তাবাদের পথিকৃৎ হিসেবে পরিচিত হলেন?
Ans:তিনি দেখান কীভাবে ইংরেজ শাসন ভারতের অর্থনৈতিক ক্ষতি করছে এবং দেশের শিক্ষিত সমাজকে এই বিষয়ে ভাবতে ও বুঝতে সহায়তা করেন। এ কারণেই তাকে অর্থনৈতিক জাতীয়তাবাদের পথিকৃৎ বলা হয়।
Q.7: তিনি কি ব্রিটিশ পার্লামেন্টের সদস্য ছিলেন?
Ans:হ্যাঁ, দাদাভাই নওরোজি ১৮৯২ সালে সেন্ট্রাল ফিন্সবেরি থেকে লিবারেল দলের হয়ে ব্রিটিশ কমন্স সভার সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন।
Q.8: স্বাধীনতা আন্দোলনে ‘স্বরাজ’ শব্দটি কে প্রথম ব্যবহার করেন?
Ans:দাদাভাই নওরোজি স্বাধীনতা আন্দোলনে ‘স্বরাজ’ শব্দটি প্রথম পরিচিত করেন।
Q.9: ভারতীয়দের মধ্যে তিনি কী নামে পরিচিত ছিলেন?
Ans:ভারতীয়দের মধ্যে দাদাভাই নওরোজি “The Grand Old Man” নামে সুপরিচিত ছিলেন।
Q.10: তার লেখা বিখ্যাত বইয়ের নাম কী?
Ans:তার বিখ্যাত বইয়ের নাম “Poverty and Un-British Rule in India,” যা ভারতীয় জাতীয়তাবাদের ইতিহাস চর্চার একটি গুরুত্বপূর্ণ গ্রন্থ।
- বাক্য দশম শ্রেণি বাংলা ব্যাকরণ | সম্পূর্ণ প্রশ্নোত্তর ও বাক্যের রূপান্তর | Madhyamik Bengali| WBBSE Class 10
বাক্য দশম শ্রেণি বাংলা ব্যাকরণ অধ্যায়ের সম্পূর্ণ নোটস — বাক্যের সংজ্ঞা, গঠনগত ও অর্থগত শ্রেণিবিভাগ, বাক্যের রূপান্তর এবং বিস্তারিত প্রশ্নোত্তর। মাধ্যমিক পরীক্ষার জন্য আদর্শ। বাক্য দশম শ্রেণি বাংলা ব্যাকরণ অধ্যায় সারসংক্ষেপ: madhyamik bakyo ভাষার বৃহত্তম একক হল বাক্য। এক বা একাধিক পদের দ্বারা গঠিত যে পদসমষ্টি বক্তার মনের ভাব সম্পূর্ণরূপে প্রকাশ করে তাকে বাক্য বলে। … - বাচ্য | দশম শ্রেণী বাংলা ব্যাকরণ | সম্পূর্ণ প্রশ্নোত্তর ও সারসংক্ষেপ | WBBSE Class 10
বাচ্য দশম শ্রেণী বাংলা ব্যাকরণ অধ্যায়ের সম্পূর্ণ সারসংক্ষেপ, MCQ, সংক্ষিপ্ত ও রচনাধর্মী প্রশ্নোত্তর। কর্তৃবাচ্য, কর্মবাচ্য, ভাববাচ্য ও কর্মকর্তৃবাচ্য বিস্তারিত আলোচনাসহ। WBBSE পরীক্ষার জন্য আদর্শ বাচ্য দশম শ্রেণী বাংলা ব্যাকরণ বাচ্য দশম শ্রেণী বাংলা ব্যাকরণ: অধ্যায় সারসংক্ষেপ বাক্যের মধ্যে সমাপিকা ক্রিয়া কখনো কর্তার সঙ্গে, কখনো কর্মের সঙ্গে মিলে চলে, আবার কখনো কোনোটির সঙ্গেই মিলে না — … - মাধ্যমিক বাংলা নতুন প্রশ্ন কাঠামো ২০২৫ | WBBSE দশম শ্রেণি বাংলা নম্বর বিভাজন সম্পূর্ণ গাইড
মাধ্যমিক বাংলা নতুন প্রশ্ন কাঠামো ও নম্বর বিভাজন বিস্তারিত জানুন। MCQ, VSA, SA এবং রচনাধর্মী প্রশ্নের মার্কস, শব্দ সীমা ও পরীক্ষার কৌশল — সব কিছু এক জায়গায়। মাধ্যমিক পরীক্ষার প্রস্তুতিতে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রথম পদক্ষেপ হল — প্রশ্নের কাঠামো ভালোভাবে জানা। কোন বিভাগে কত নম্বর, কোন ধরনের প্রশ্ন আসে, উত্তর কতটা লম্বা হওয়া উচিত — এটা … - নদীর বিদ্রোহ প্রশ্নোত্তর | মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় | দশম শ্রেণি বাংলা সম্পূর্ণ গাইড
দশম শ্রেণির বাংলা পাঠ্যপুস্তকের নদীর বিদ্রোহ প্রশ্নোত্তর, সম্পূর্ণ সারসংক্ষেপ, লেখক পরিচিতি ও প্রশ্নোত্তর — অতিসংক্ষিপ্ত, সংক্ষিপ্ত ও রচনাধর্মী প্রশ্ন। মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের গল্পের বিশ্লেষণ ও মাধ্যমিক সাজেশন। লেখক পরিচিতি: নদীর বিদ্রোহ প্রশ্নোত্তর মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় (১৯০৮–১৯৫৬) বাংলা সাহিত্যের এক অসাধারণ প্রতিভাবান লেখক। তাঁর আসল নাম প্রবোধকুমার বন্দ্যোপাধ্যায়। সাঁওতাল পরগনার দুমকায় তাঁর জন্ম, আদিনিবাস বর্তমান বাংলাদেশের অন্তর্গত ঢাকা … - বাংলা ভাষায় বিজ্ঞান প্রশ্নোত্তর | রাজশেখর বসু | দশম শ্রেণি বাংলা সম্পূর্ণ গাইড
দশম শ্রেণির বাংলা পাঠ্যক্রমের ‘বাংলা ভাষায় বিজ্ঞান’ প্রবন্ধের সম্পূর্ণ সারসংক্ষেপ, লেখক পরিচিতি ও প্রশ্নোত্তর — অতিসংক্ষিপ্ত, সংক্ষিপ্ত ও রচনাধর্মী প্রশ্ন। রাজশেখর বসুর প্রবন্ধ বিশ্লেষণ ও মাধ্যমিক সাজেশন লেখক পরিচিতি রাজশেখর বসু (১৮৮০–১৯৬০) বাংলা সাহিত্যে ‘পরশুরাম‘ ছদ্মনামে চিরস্মরণীয়। ১৮৮০ খ্রিস্টাব্দের ১৬ মার্চ বর্ধমান জেলার শক্তিগড়ের কাছে বামুনপাড়ায় তাঁর জন্ম। বাংলা সাহিত্যে রসরচনার ক্ষেত্রে তিনি অতুলনীয়। ‘গড্ডালিকা’, … - অস্ত্রের বিরুদ্ধে গান কবিতার প্রশ্নোত্তর | জয় গোস্বামী | দশম শ্রেণি বাংলা সম্পূর্ণ গাইড
দশম শ্রেণির বাংলা পাঠ্যক্রমের অস্ত্রের বিরুদ্ধে গান কবিতার প্রশ্নোত্তর, সম্পূর্ণ সারসংক্ষেপ, কবি পরিচিতি ও প্রশ্নোত্তর — অতিসংক্ষিপ্ত, সংক্ষিপ্ত ও রচনাধর্মী। অস্ত্রের বিরুদ্ধে গান কবিতার প্রশ্নোত্তর: সারসংক্ষেপ জয় গোস্বামীর ‘অস্ত্রের বিরুদ্ধে গান’ একটি যুগসচেতন ও মানবতাবাদী কবিতা। তিনটি অসমান স্তবকে — পাঁচ, ছয় ও সাত পঙক্তিতে — কবি এঁকেছেন হিংসার বিরুদ্ধে গানের এক অনন্য বিদ্রোহ। কবিতায় …