শান্তি স্বরূপ ভাটনগর এর জীবনী | শান্তি স্বরূপ ভাটনগর পুরস্কার

Santi Swarup Bhatnagar
Santi Swarup Bhatnagar |শান্তি স্বরূপ ভাটনগর এর জীবনী

ভারতের বিজ্ঞানের আকাশে শান্তি স্বরূপ ভাটনাগর এক উজ্জ্বল স্থান দখল করে আছেন। বিজ্ঞানী হওয়ার সাথে সাথে তার মধ্যে ছিল কবি প্রতিভা। তাছাড়াও নাটক রচনা এবং নাটকে অভিনয় করতেন। তার বিজ্ঞান চর্চার মূল লক্ষ্য ছিল বিজ্ঞানের বিভিন্ন দিককে দৈনন্দিন জীবনে ব্যবহার করা। ইন্ডাস্ট্রিয়াল কেমিস্ট্রি বা শিল্প রসায়নে তার ভূমিকা অপরিসীম। তাঁকে ভারতীয় গবেষণাগারের জনক বলা হয়।

Table of Contents

জন্ম ও বংশ পরিচয়:

শান্তি স্বরূপ ভাটনগর ১৮৯৪ সালের ২১ শে ফেব্রুয়ারি পাঞ্জাবএর শাহাপুর জেলার ভেড়া অঞ্চলে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা পরমেশ্বরী সহায় ভাটনগর । অল্প বয়সে তাঁর পিতার মৃত্যু হয় । তারপর তিনি উত্তরপ্রদেশে চলে আসেন মামারবাড়িতে।

শিক্ষাজীবন ও কর্মজীবন |Shanti Swarup Bhatnagar Indian Chemist in Bengali

মামারবাড়ি উত্তরপ্রদেশের সেকেন্দ্রাবাদে দয়ানন্দ বৈদিক বিদ্যালয়ে প্রাথমিক শিক্ষা। প্রাথমিক শিক্ষার পাঠ শেষ করে তখনকার লাহোরে দয়াল সিং কলেজে ভর্তি হন। তিনি লন্ডন যান উচ্চশিক্ষার জন্য ফরম্যান ক্রিশ্চিয়ান কলেজে ভর্তি হন । লন্ডনে ১৯১৯ সালে রসায়নে এমএসসি ডিগ্রী অর্জন করেন তারপর শুরু হয় গবেষণার কাজ। অনতিবিলম্বে তিনি লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডক্টরেট ডিগ্রি লাভ করেন। 

১৯২১ সালে বেনারস হিন্দু ইউনিভার্সিটির রসায়নের অধ্যাপক হিসাবে তার কর্মজীবনের শুরু হয়। খুব অল্প সময়ের মধ্যেই তিনি তার অপূর্ব পাঠদান পদ্ধতির জন্য ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে জনপ্রিয়তা লাভ করেন। ছাত্র-ছাত্রীদের তিনি বোঝান আমাদের চারপাশেই ছড়িয়ে রয়েছে বিজ্ঞানের রহস্য। বিজ্ঞানের নানা পরীক্ষা হাতে কলমে করে দেখাতেন। 

এরপর তিনি পাঞ্জাব বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক হিসেবে নিযুক্ত হন সেখানে 1924 সাল থেকে ১৯৪০ সাল পর্যন্ত অধ্যাপনার কাজ করেন। এখানে তিনি শুধু অধ্যাপনাই করেননি। তখনকার সময়ে তার আয়ের থেকে এক লক্ষ পঞ্চাশ হাজার টাকা দান করেছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়টি কে বিজ্ঞান চর্চার অন্যতম শ্রেষ্ঠ কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার জন্য। 

এরপর তিনি ১৯৪০ সালে বোর্ড অফ সাইন্টিফিক এন্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল রিসার্চ এ ডিরেক্টর পদে মনোনীত হন। এই সংস্থা গবেষণার নানা কাজ করে থাকে। বর্তমানেও আধুনিক গবেষণার কাজে নিযুক্ত এই সংস্থার নাম কাউন্সিল অফ সাইন্টিফিক ইন্ডাস্ট্রিয়াল রিসার্চ (CSIR)

কর্মজীবনে তিনি বরাবরই উচ্চ পদে আসীন ছিলেন। তিনি এটমিক এনার্জি কমিশনের প্রথম মহাসচিব ছিলেন এছাড়াও UGC র চেয়ারম্যান হয়েছিলেন। 

এত গুণী এবং প্রতিভাধর মানুষ তার ব্যক্তিগত জীবনে ছিলেন খুবই সাধারণ সর্বদা কাজের মধ্যে নিজেকে ব্যস্ত রাখতেন। গবেষণা কাজের মাঝেও অধ্যাপনা লেখালেখির কাজ এবং প্রশাসনের বিভিন্ন দায়িত্ব পালন করে গেছেন। 

রসায়নে মৌলিক গবেষণা

রসায়নবিদ্যায় অনেক মৌলিক গবেষণা রয়েছে তার। যার মধ্যে কলয়েডের ধর্ম এবং চুম্বক রসায়নে তার অবদান অনস্বীকার্য।। ইন্ডাস্ট্রিয়াল কেমিস্ট্রি তে তিনি নতুনত্ব এনেছিলেন। অ্যান্টি রাস্ট ক্লথ এবং ভার্নিস আবিষ্কৃত হয়েছিল তার গবেষণালব্ধ ফলের  উপর ভিত্তি করে। বর্জ্য পদার্থ থেকে প্লাস্টিক উৎপাদন তারই আবিষ্কার। ক্যাস্টর অয়েলকে নিষ্কাশন করার পদ্ধতি তিনি আবিষ্কার করেন। এছাড়াও গাড়ির যন্ত্রাংশ ও অন্যান্য জিনিস সচল রাখার জন্য তৈরি লুব্রিকেন্ট তৈরি করা হয়েছিল তার গবেষণার উপর ভিত্তি করে। তিনি কাঁচের বিকল্প পদার্থ আবিষ্কার করেছিলেন। 

তিনি বিভিন্ন সময়ে ‘দিল্লি ক্লথ অ্যান্ড জেনারেল মিলস‘, কানপুরের ‘জে কে মিলস লিমিটেড‘, লায়াল্লাপুরের ‘গণেশ ফ্লাওয়ার মিলস লিমিটেড‘, বোম্বের ‘টাটা অয়েল মিলস লিমিটেড‘ এবং ভারতের স্টিল ব্রাদার্স অ্যান্ড কোং লিমিটেড‘ প্রভৃতির বহু শিল্প সমস্যার সমাধান করেছেন।

আপনি আপনার কাজের মাঝে জন সমক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপকদের মর্যাদা বৃদ্ধি করেছেন,আপনার শিক্ষায়তনে প্রদত্ত সুবিধার কথা না বলে

…….মেঘনাদ সাহা

একাধারে এই জনপ্রিয় বিজ্ঞানী, অন্যদিকে দক্ষ সংগঠক। ভারতে জাতীয় গবেষণাগার স্থাপন করেছেন একাধিক। পরাধীন ভারতবর্ষে ব্রিটিশ সরকারের বিরুদ্ধে লড়াই করে অর্থ সংগ্রহ করে একে একে গবেষণাগারের স্বপ্ন সফল করে গেছেন। নিজের আয়ের বেশিরভাগ অংশই তিনি দান করে যান এই গবেষণাগারে। দেশী ও বিজ্ঞান প্রযুক্তিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য তার এই অবদান ভারতবর্ষের মানুষ কোনদিন ভুলতে পারবেনা। 

 তিনি সেসময়ে ভারতে মোট বারোটি জাতীয় গবেষণাগার প্রতিষ্ঠা করেছিলেন, সেগুলির মধ্যে উল্লেখযোগ্য গবেষণাগার হল—

১. সেন্ট্রাল ফুয়েল রিসার্চ ইনস্টিটিউট, ধানবাদ;

২. সেন্ট্রাল ইনস্টিটিউট অফ ফুড প্রসেসিং টেকনোলজি, মহীশূর;

৩. ন্যাশনাল কেমিক্যাল ল্যাবরেটরি, পুনে;

৪. ন্যাশনাল ফিজিক্স ল্যাবরেটরি, নয়াদিল্লি;

৫. জাতীয় ধাতুবিদ্যা গবেষণাগার, জামশেদপুর;

বিজ্ঞান কে তিনি সাধারণ মানুষের আয়ত্তের মধ্যে আনার চেষ্টা করে গেছেন। 

ভারত স্বাধীনতা লাভের পর তিনি আধুনিক দেশ হিসাবে একে তৈরি করার জন্য প্রধানমন্ত্রী জহরলাল নেহরুর সাথে সাক্ষাৎ করেন। দেশের মানুষের সেবার জন্য এমন যন্ত্রপাতি তৈরি করেন যা মানুষের কাজকে অনেক সহজে এবং কম সময়ে কাজ করতে সাহায্য করবে। তিনি গন্ধহীন মোম তৈরির পদ্ধতি আবিষ্কার করেন এবং আলোর উজ্জ্বলতা বাড়ানোর জন্য কেরোসিন কে পরিশোধনের পদ্ধতি আবিষ্কার করেন। Industrial chemistry নানা আবিষ্কার তাকে বিজ্ঞানী মহলে জনপ্রিয়তা দেয়।

পুরস্কার ও সম্মান

বিশুদ্ধ ও ফলিত রসায়নে তার অসামান্য অবদানের জন্য ব্রিটিশ শাসক ১৯৩৬ খ্রিস্টাব্দের নববর্ষের সম্মাননায় অর্ডার অফ দ্য ব্রিটিশ এম্পায়ার নিয়োগ করে।

১৯৪১ সালে পান নাইট উপাধি

১৯৪৩ সালে শান্তি স্বরূপ ভাটনগর সোসাইটি অফ লন্ডনের ফেলো নির্বাচিত হন।

১৯৫৪ খ্রিস্টাব্দে ভারত সরকার তৃতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক পুরস্কার পদ্মভূষণ সম্মানে ভূষিত করে

তিনি বিশ্বের প্রায় সর্বত্রই পেয়েছেন নানান পুরস্কার ও সম্মান। স্বাধীন ভারতকে একটি উন্নত দেশ হিসাবে গড়ে তোলার জন্য আজীবন চেষ্টা করে গেছেন দেশের মধ্যে স্থাপন করেছেন একাধিক তৈল শোধনাগার। আজ ভারত পরমাণু অস্ত্রে ও পরমাণু শক্তিতে শক্তিবান হয়েছে। এর আড়ালে যে বিজ্ঞানীদের অবদান ভোলার নয়। তাদের মধ্যে একজন হোমি জাহাঙ্গীর ভাবা আর একজন শান্তি স্বরূপ ভাটনগর।

মৃত্যু:

১৯৫৫ সালের পয়লা জানুয়ারি শান্তি স্বরূপ ভাটনগরের প্রয়াণ ঘটে। তার স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর জন্য কাউন্সিল অফ সাইন্টিফিক এন্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল রিসার্চ প্রতিবছর শান্তি স্বরূপ ভাটনগর নামাঙ্কিত একটি পুরস্কার প্রদান করে। দেশীয় বিজ্ঞান চর্চায় সফল বিজ্ঞানীদের তার নামাঙ্কিত এই পুরস্কার প্রদান করা হয়ে থাকে। দেশীয় বিজ্ঞান চর্চায় তার অপরিসীম অবদানের জন্য তিনি সাধারণ মানুষ ও বিজ্ঞানী মহলে চিরকাল উজ্জ্বল হয়ে থাকবেন।

শান্তি স্বরূপ ভাটনাগর পুরস্কার

১৯৫৮ সালে ভারত সরকারের বৈজ্ঞানিক ও শিল্প গবেষণা পরিষদ (বা সিএসআইআর) বিজ্ঞানের বিভিন্ন শাখায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন এমন বিজ্ঞানীদের সম্মানিত করতে শান্তি স্বরূপ ভাটনগর পুরস্কার প্রবর্তন করে

🅵🅰🆀

Q.1: স্যার শান্তি স্বরূপ ভাটনগর কে ছিলেন?

Ans: স্যার শান্তি স্বরূপ ভাটনগর একজন বিশিষ্ট রসায়ন বিজ্ঞানী এবং ভারতের বৈজ্ঞানিক ও প্রশাসনিক ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালনকারী। তিনি ভারতের বৈজ্ঞানিক ও শিল্প গবেষণা পরিষদের (সিএসআইআর) প্রথম মহাপরিচালক ছিলেন এবং ইউজিসির প্রথম সভাপতি।

Q.2: শান্তি স্বরূপ ভাটনগর জন্ম ও শিক্ষাজীবন সম্পর্কে কিছু বলুন।

Ans: তিনি ২১ ফেব্রুয়ারি ১৮৯৪ সালে পঞ্জাবের শাহপুরে জন্মগ্রহণ করেন। সিকান্দ্রাবাদ স্কুল ও দয়াল সিং কলেজে পড়াশোনা করেন এবং ১৯১৯ সালে লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রসায়নে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন।

Q.3: শান্তি স্বরূপ ভাটনগর এর কর্মজীবনে তার অবদান কী কী ছিল?

Ans: তিনি বেনারস হিন্দু বিশ্ববিদ্যালয় ও পাঞ্জাব বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষণা ও অধ্যাপনা করেছেন। এছাড়া, তিনি সিএসআইআর প্রতিষ্ঠা করেন এবং ভারতের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ গবেষণাগার স্থাপন করেন।

Q.4: ভাটনগর পুরস্কার কবে প্রবর্তিত হয়েছিল?

Ans: ১৯৫৮ সালে স্যার শান্তি স্বরূপ ভাটনগরের স্মৃতিতে বিভিন্ন শাখায় উল্লেখযোগ্য অবদানের জন্য এই পুরস্কার প্রবর্তিত হয়।

Q.5: ভাটনগরকে কোন কোন সম্মাননা প্রদান করা হয়েছে?

Ans: তিনি ১৯৩৬ সালে অর্ডার অফ দ্য ব্রিটিশ এম্পায়ার, ১৯৪১ সালে নাইট উপাধি, ১৯৪৩ সালে রয়্যাল সোসাইটি ফেলো এবং ১৯৫৪ সালে পদ্মভূষণ পুরস্কারে ভূষিত হন।

Q.6: শান্তি স্বরূপ ভাটনগরের মৃত্যু কবে হয়?

Ans: তিনি ১ জানুয়ারি ১৯৫৫ সালে নিউ দিল্লিতে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেন। তার স্ত্রী লাজবতী ১৯৪৬ সালে মারা যান।

Q.7: শান্তি স্বরূপ ভাটনগর কীভাবে শিল্প সমস্যার সমাধান করেছিলেন?

Ans: তিনি গবাদি পশুর খাদ্য-কেককে আখের খোসায় রূপান্তরিত করার প্রক্রিয়া উন্নত করেছিলেন এবং নানা শিল্প সমস্যার সমাধান করেছেন, যেমন তেল শোধনের জন্য বিশেষ আঠা আবিষ্কার করেছিলেন।

Q.8: তার গবেষণার প্রধান ক্ষেত্রগুলি কী ছিল?

Ans: তার গবেষণার প্রধান ক্ষেত্রগুলি ছিল ইমালসন, কলয়েড, শিল্প রসায়ন এবং চুম্বক-রসায়ন। তিনি চুম্বকত্বের ব্যবহারে রাসায়নিক বিক্রিয়া অধ্যয়ন করেছেন।

Q.9: তিনি কোন কোন গবেষণাগার প্রতিষ্ঠা করেছিলেন?

Ans: তিনি সেন্ট্রাল ইনস্টিটিউট অফ ফুড প্রসেসিং টেকনোলজি, ন্যাশনাল কেমিক্যাল ল্যাবরেটরি, ন্যাশনাল ফিজিক্স ল্যাবরেটরি, জাতীয় ধাতুবিদ্যা গবেষণাগার, এবং সেন্ট্রাল ফুয়েল রিসার্চ ইনস্টিটিউট সহ বারোটি জাতীয় গবেষণাগার প্রতিষ্ঠা করেছিলেন।

Q.10: তার সম্পর্কে আরও কী জানা উচিত?

Ans: তিনি ইউজিসি, প্রাকৃতিক সম্পদ ও বৈজ্ঞানিক গবেষণা দপ্তর, এবং অ্যাটোমিক এনার্জি কমিশনের সেক্রেটারির মতো গুরুত্বপূর্ণ পদে ছিলেন। এছাড়াও, তিনি জাতীয় গবেষণা উন্নয়ন পর্ষদ (NRDC) স্থাপনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন।

Q.11: ভাটনগরের কবি সত্তার পরিচয় কোথায় পাওয়া যায়?

Ans: বেনারস হিন্দু বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপনার সময় তিনি বিশ্ববিদ্যালয় সঙ্গীত “কূলগীত” রচনা করেছিলেন এবং উর্দু একাঙ্ক নাটক লেখার মাধ্যমে কবি সত্তা প্রকাশ করেছিলেন।

Q.12: শান্তি স্বরূপ ভাটনগরের বিজ্ঞানী হিসেবে কীর্তি কী ছিল?

Ans: তিনি মৌলিক বিজ্ঞানে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন, বিশেষ করে চুম্বক-রসায়ন এবং রাসায়নিক বিক্রিয়া অধ্যয়নে। তার তৈরি ভাটনগর-মাথুর ম্যাগনেটিক ইন্টারফেয়ারেন্স ব্যালান্স তখনকার সময়ের এক উন্নত যন্ত্র ছিল।

Q.13: তার তেল শোধন পদ্ধতি সম্পর্কে কিছু বলুন।

Ans: তিনি একটি বিশেষ আঠার আবিষ্কার করেছিলেন যা কাদা ও লবণাক্ত জল সমস্যার সমাধান করে তেল শোধনে সাহায্য করেছিল। এই পদ্ধতি তেল ড্রিলিং অপারেশনে খুব কার্যকর ছিল।

Q.14: শান্তি স্বরূপ ভাটনগরের কিভাবে স্মরণ করা হয়?

Ans: তার অবদানের সম্মান হিসেবে ১৯৫৮ সালে শান্তি স্বরূপ ভাটনগর পুরস্কার প্রবর্তন করা হয়, যা বিজ্ঞানের বিভিন্ন শাখায় অসামান্য অবদানের জন্য প্রদান করা হয়।


Leave a Comment