জগদীশচন্দ্র বসুর জীবনী | বাংলার বিজ্ঞান চর্চায় জগদীশচন্দ্র বসুর অবদান | Jagadish Chandra Bose

Jagadish Chandra Bose
Jagadish Chandra Bose, জগদীশচন্দ্র বসুর ছবি

Table of Contents

জগদীশচন্দ্র বসু অনুচ্ছেদ | জগদীশ চন্দ্র বসুর জীবনী | জগদীশ চন্দ্র বসু রচনা ২০ পয়েন্ট | Jagdish Chandra Bose Biography in Bengali

পশ্চিমবঙ্গ তথা ভারত বর্ষ বহু বিজ্ঞানী মনীষীর জন্মস্থান। সেই মহান বিজ্ঞানীদের মধ্যে অন্যতম হলেন আচার্য জগদীশচন্দ্র বসু। বিজ্ঞান চর্চা শুরুতে পদার্থবিদ্যা নিয়ে শুরু করলেও পরবর্তীকালে তিনি পরিচিত হন এক স্বনামধন্য উদ্ভিদবিজ্ঞান হিসেবে। তিনি বিজ্ঞান চর্চার এক নতুন শাখা “বায়োফিজিক্স” তৈরি করেন।

জগদীশ চন্দ্র বসু এর একটি সংক্ষিপ্ত জীবনী । জগদীশ চন্দ্র বসু এর জীবনী – Jagdish Chandra Bose Biography in Bengali বা জগদীশ চন্দ্র বসু এর আত্মজীবনী বা (Jagdish Chandra Bose Jivani Bangla. A short biography of Jagdish Chandra Bose. Jagdish Chandra Bose Birth, Place, Life Story, Life History, Biography in Bengali) জগদীশ চন্দ্র বসু এর জীবন রচনা সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো।

স্যার জগদীশচন্দ্র বসু কোথায় জন্মগ্রহণ করেন? জগদীশচন্দ্র বসুর পিতার নাম কি? জগদীশ চন্দ্র বসুর মায়ের নাম কি?

আচার্য জগদীশচন্দ্র বসু ১৮৫৮ সালের ৩০ শে নভেম্বর জন্মগ্রহণ করেন। তার জন্মস্থান ছিল বর্তমান বাংলাদেশের ময়মনসিংহ। জগদীশ চন্দ্র বসুর পিতা র নাম ভগবানচন্দ্র বসু মাতার নাম বামাসুন্দরী। ভগবান চন্দ্র বসু ছিলেন একজন উদার ম্যাজিস্ট্রেট। পিতার সাহচর্যে শৈশব অতিবাহিত হয়েছিল তাঁর।

জগদীশ চন্দ্র বসুর শিক্ষাজীবন – Jagdish Chandra Bose Education:

আচার্য জগদীশচন্দ্র ছিলেন গ্রাম বাঙলার সন্তান। ছোটবেলা থেকেই জগদীশচন্দ্র বসু প্রকৃতি ভালোবাসতেন আর প্রকৃতির নানান রহস্য তাঁকে ভাবিয়ে তুলতো।তার শিক্ষা গুরু ছিলেন তাঁর পিতা। তাঁর পিতা ছিলেন একজন মনষ্ক ব্রাহ্ম।ম্যাজিষ্ট্রেট হিসাবে কাজ করলেও তিনি সাধারণ জীবন যাপন করতে ভালো বাসতেন। পরবর্তী কালে অনেক স্বনামধন্য অধ্যাপকএর সান্নিধ্যে আসেন।

একটি সাধরণ ব্রাহ্ম বিদ্যালয়ে তার শিক্ষা শুরু হয়। তাঁর পিতা তাঁকে আকাশের দিকে তাকাতে বলতেন। শিশু জগদীশ চন্দ্রের মনে তখন থেকেই জিজ্ঞাসার জন্ম হয় কভাবে তারা সৃষ্টি হয়। প্রাচীন ভারতের বিজ্ঞান চর্চার ইতিহাস পিতার কাছ থেকে শুনেছিলেন তিনি। 9 তাঁর মাত্র ১০ বছর বয়সে কলকাতার হেয়ার স্কুলে ভর্তি হন এবং পরবর্তীকালে সেন্ট জেভিয়ার্স স্কুল থেকে পড়াশোনা করেছিলেন।

সেন্ট জেভিয়ার্স এ পড়াশোনা হত ইংরেজি মাধ্যমে তাই প্রথম প্রথম ভাষাগত কারণে তাঁর অসুবিধা হলেও খুব তাড়াতাড়ি তিনি এই সমস্যা কাটিয়ে ওঠেন। স্কুলের অন্যতম মেধাবী ছাত্র ছিলেন জগদীশচন্দ্র বসু। পদার্থবিদ্যার অধ্যাপক ফাদার লঁফোর কাছে তিনি শিক্ষা লাভ করেন।

১৮৭৭ সালে তিনি এফএ এবং ১৮৮০ সালে বিএ পাস করেন। ১৮৮০ সালে লন্ডনে গিয়ে ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ট্রাইপস পাস করেন এবং লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিএসসি ডিগ্রী লাভ করেন।

জগদীশ চন্দ্র বসুর কর্মজীবন – Jagdish Chandra Bose Work জগদীশ চন্দ্র বসু

দীর্ঘ চার বছর লন্ডনে অতিবাহিত করে দেশে ফিরে প্রেসিডেন্সি কলেজে যোগদান করেন। ১৮৮৭ সালে দুর্গা মোহনদাসের কন্যা অবলা দেবীর সাথে তার বিবাহ হয়।

জগদীশচন্দ্র বসু হয়ে ওঠেন এক স্বনামধন্য অধ্যাপক। তার কয়েকজন বিখ্যাত স্বনামধন্য ছাত্র হলেন মেঘনাথ সাহা, সত্যেন্দ্রনাথ বসু, জ্ঞানচন্দ্র ঘোষ প্রমুখ।

প্রেসিডেন্সি কলেজে তরঙ্গ নিয়ে গবেষণা শুরু করেন। হাজার 1895 সালে ছোট লাট ম্যাকেনজির সামনে তার গবেষণালব্ধ আবিষ্কার প্রদর্শন করেন। বিস্মিত ম্যাকিনজি জগদীশ চন্দ্র বসুর বিদেশ যাত্রায় সহযোগিতা করেন। তিনি প্যারিসের ফিজিক্যাল সোসাইটি বার্লিনের একাডেমি অফ সায়েন্স ইত্যাদি জায়গায় তার মূল্যবান ভাষণ প্রদান করেন ক্রমশ বিশ্বের দরবারে তার নাম এবং প্রতিভা ছড়িয়ে পড়তে থাকে

জগদীশচন্দ্র বসু শরীরবিদ্যা বিষয়ে গবেষণার জন্য প্যারিস এর আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান কংগ্রেসে যোগ দিয়েছিলেন তিনি সেখানে বিজ্ঞানী মহল কে অবাক করে দিয়ে বৈদ্যুতিক তরঙ্গের সাহায্যে জর ও জীবিত বস্তুর মধ্যে যে প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয় তা প্রদর্শন করেন এবং সেই বিষয়ে ভাষণ দেন।

ক্রেস্কোগ্রাফ এর কাজ কি? Jogodish Chondro Bosu Jiboni

ক্রেসকোগ্রাফ উদ্ভিদের বৃদ্ধিমাপক যন্ত্র

ইংল্যান্ডের রয়েল সোসাইটিতে তিনি আমন্ত্রিত হয়ে সেখানে বৈদ্যুতিক পীড়নে জড় পদার্থটির সারা বিষয়ে একটি অসাধারণ ভাষণ প্রদান করেন। বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় জগদীশচন্দ্র বসুর গবেষণা প্রকাশিত হতে থাকে।

জগদীশচন্দ্র বসুকে সাহায্য করতে এগিয়ে এসেছিলেন ভগিনী নিবেদিতা। ১৯০৩ সালের দোষটা ফেব্রুয়ারি দেশে ফিরে আসেন এবং দেশীয় বিজ্ঞানী মহলের তরফে ভারত সমাজের পক্ষ থেকে তাকে সম্বর্ধনা দেওয়া হয়। সেই সভায় উপস্থিত ছিলেন কুচবিহারের মহারাজ। স্বয়ং রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বিশ্ব বরেণ্য বিজ্ঞানী জগদীশচন্দ্র বসুকে “জয় হোক তব জয় হোক” বলে অভ্যর্থনা করেন।

জগদীশচন্দ্র বসুর জীবনী | Jagadish Chandra Bose biography in bengali

১৯০৭ সালে নভেম্বর মাসে জগদীশচন্দ্র বসু পুনরায় লন্ডনে যান। সেখানে বিভিন্ন সভায় তার মূল্যবান ভাষণ দেন তারপর ভগিনী নিবেদিতা কে সহযাত্রিনী করে তারা পৌঁছন আমেরিকায়। আমেরিকার বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় তাকে অভ্যর্থনা জানায় এবং তার মূল্যবান বক্তৃতা র আয়োজন করে। তিনি বস্টন মেডিকেল সোসাইটি, বালটি মোড়ের বোটানিক্যাল সোসাইটি অপ আমেরিকা এবং শিকাগো একাডেমি অফ সায়েন্স এইসব জায়গায় তার অমূল্য বক্তৃতা দেন।

দেশে ফিরে এসে দেশীয় বিজ্ঞান চর্চায় মননিবেশ করেন। তিনি স্থাপন করেন বসু বিজ্ঞান মন্দির। ১৯১২ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় তাকে ডিএসসি উপাধি প্রদান করে। ১৯১৪ সালে জগদীশচন্দ্র বসু পুনরায় লন্ডন যাত্রা করেন।

ইংল্যান্ডে গিয়ে অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় তার সেই ঐতিহাসিক ভাষণটি প্রদান করেন যেখানে তিনি প্রমাণ করেছিলেন উদ্ভিদের দেহে প্রাণের সাড়া আছে।

রয়েল সোসাইটির আমন্ত্রণে জগদীশচন্দ্র বসু নিজের পরীক্ষালব্ধ আবিস্কার তত্ত্ব জনগণের সামনে আনেন। তিনি ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়, ভিয়েনা, প্যারিস ইত্যাদি জায়গাতেও গিয়েছিলেন।

প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময়ই তিনি আমন্ত্রণ পান আমেরিকা থেকে। সেখানে একের পর এক বিজ্ঞানীদের সভায় তার বক্তৃতা প্রদান করেন। আমেরিকার বৈজ্ঞানিক মহল জগদীশ চন্দ্র বসুর বহুমুখী প্রতিভায় অভিভূত হয়।

জগদীশচন্দ্র বসু জাপানও গিয়েছিলেন সেখানকার একাধিক বিশ্ববিদ্যালয়ের তার অমূল্য ভাষণ প্রদান করেন ,বিতর্ক সভায় অংশ নেন।

জগদীশ চন্দ্র বসুর জীবনী | Jagadish Chandra Bose in Bengali

১৯১৫ সালে চাকুরী থেকে অবসর গ্রহণ করেন। প্রেসিডেন্সি কলেজের ইমিরেটস অধ্যাপক নিযুক্ত হন এবং ভারত সরকার তাকে “স্যার” উপাধি প্রদান করে। 

১৯১৭ সালে ত্রিশে নভেম্বর জগদীশ চন্দ্র বসু দেশীয় বিজ্ঞান গবেষণার জন্য “বসু বিজ্ঞান মন্দির” প্রতিষ্ঠা করেন। দেশীয় বিজ্ঞান চর্চার এক নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হয়। বর্তমানে বিশ্বের দরবারে বসু বিজ্ঞান মন্দির এক বহু চর্চিত নাম। নানা রকমের গবেষণা নিরন্তর চলতে থাকে এখানে।

১৯১৯ সালে জগদীশচন্দ্র বসু ইউরোপ যাত্রা করেন। যদিও এরপরেও বেশ কয়েকবার তিনি বিদেশ ভ্রমণ করেছেন।

আচার্য জগদীশচন্দ্র বসু | Jagadish Chandra Bose Biography in Bengali updated

১৯২৮ সালে ৩০ শে নভেম্বর এক বিরাট সম্বর্ধনার মধ্য দিয়ে জগদীশচন্দ্র বসুর 70 বছরের জন্ম দিবস পালিত হয় যার সব থেকে বড় উদ্যোক্তা ছিলেন বিশ্ব কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।

তাঁর লেখা বিজ্ঞানবিষয়ক গ্রন্থগুলি হল—Physiology of Ascent of Sap, Physiology of Photosynthesis, Nervous Mechanism of Plants, Growth and tropic movements of plants ইত্যাদি

কলকাতা কর্পোরেশন জগদীশচন্দ্র বসুকে ১৯৩১ সালের ১৪ এপ্রিল নাগরিক সম্বর্ধনা দেয়। এরপরেই জগদীশচন্দ্র বসু অসুস্থ হয়ে পড়েন যদিও তার অসুস্থতা তার বিজ্ঞান চর্চায় এবং জনকল্যান কাজে কোন ভাবে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করতে পারেনি। ১৯৩৭ সালের ২৩ নভেম্বর এই বিখ্যাত বিজ্ঞানীর মহাপ্রয়াণ ঘটে।

শেষ হয় এক বিজ্ঞানের যুগ। তার পদাঙ্ক অনুসরণ করে নতুন বিজ্ঞানীরা জগদীশচন্দ্র বসুর গবেষণা কার্যকে আরো বাড়িয়ে বিশ্বের দরবারে গবেষণায় পশ্চিমবঙ্গ তথা ভারতকে এক উচ্চ স্থানে নিরন্তর স্থাপন করে চলেছেন।

জগদীশ চন্দ্র বসুর উক্তি

“সত্যিকারের পরীক্ষাগার হল মন, যেখানে মায়ার পিছনে আমরা সত্যের আইন উন্মোচন করি”

……….Jagadish Chandra Bose

 “জ্ঞান কখনোই কোনো একটি বর্গের একচেটিয়া অধিকার নয়, বরং পুরো বিশ্ব পরস্পরের উপর নির্ভরশীল এবং চিন্তাভাবনার একটি অবিচ্ছিন্ন ধারা বহু শতাব্দী ধরে মানবজাতির সাধারণ ঐতিহ্যকে সমৃদ্ধ করেছে”

……….Jagadish Chandra Bose

🅵🅰🆀

জগদীশচন্দ্র বসু সম্পর্কিত সাধারণ প্রশ্নসমূহ (FAQ):

Q.1: আচার্য জগদীশচন্দ্র বসু কে?

Ans: আচার্য জগদীশচন্দ্র বসু অ বিভক্ত বঙ্গে জন্মগ্রহণ করেন এবং তার বিশেষ গবেষণা ও উদ্ভাবনগুলির জন্য খ্যাত

Q.2: আচার্য বসুর গবেষণা কি কি?

Ans: প্রাথমিকভাবে তিনি পদার্থবিদ্যা নিয়ে গবেষণা করেন, তবে পরবর্তীকালে উদ্ভিদবিজ্ঞান ও বায়োফিজিক্সে তাঁর অবদান অনেক গুরুত্বপূর্ণ হয়।

Q.3: জগদীশচন্দ্র বসুর শিক্ষাগত পাঠ্য কি?

Ans: তিনি কলকাতার হেয়ার স্কুল থেকে ভর্তি হন এবং পরে সেন্ট জেভিয়ার্স স্কুল থেকে পড়াশোনা করেন।

Q.4: জগদীশ বসুর গবেষণা কোথায় প্রদর্শিত হয়েছিল?

Ans: বসুর গবেষণা কার্য ভারতের প্রধান অনুষ্ঠানের মধ্যে রয়েছে, যেমন “বসু বিজ্ঞান মন্দির”। তাঁর গবেষণা ফিলিস্টিন এবং ইউরোপের বিভিন্ন স্থানে প্রদর্শিত হয়েছিল।

Q.5: জগদীশ বসুর জন্মস্থান কোথায় ছিল?

Ans: জগদীশচন্দ্র বসুর জন্ম বর্তমান বাংলাদেশের ময়মনসিংহে ঘটে।

Q.6: বসু বিজ্ঞান মন্দির কোথায় অবস্থিত?

Ans: বসু বিজ্ঞান মন্দির কলকাতা, ভারতে অবস্থিত।

Q.7: জগদীশ বসুর গবেষণা প্রকাশ হয় কোথায়?

Ans: তিনি বিভিন্ন পত্রিকা ও পত্রপত্রিকায় তাঁর গবেষণা প্রকাশ করেছিলেন।

Q.8: জগদীশ বসুর প্রধান গবেষণা বিষয় কী?

Ans: তাঁর প্রধান গবেষণা বিষয় ছিল উদ্ভিদবিজ্ঞান এবং প্রাণের উদ্ভবন।

Q.9: জগদীশ বসুর জন্মস্থান এবং শিক্ষা সংক্রান্ত আরও কোনো তথ্য আছে?

Ans: হ্যাঁ, তাঁর পিতা ছিলেন একজন উদার ম্যাজিস্ট্রেট এবং তিনি ছোট থেকেই প্রাকৃতিক বিষয়ে আগ্রহী

Q.10: জগদীশচন্দ্র বসু কোন বিষয়ের অধ্যাপক ছিলেন?

Ans: ইংল্যাণ্ড থেকে স্বদেশে ফেরার পর তিনি কলকাতার প্রেসিডেন্সি কলেজে পদার্থবিদ্যার অধ্যাপক হিসাবে যোগ দেন

Q.11: জগদীশচন্দ্র বসু কোন বিষয়ের অধ্যাপক ছিলেন?

Ans: একজন জীব বিজ্ঞানী 

  • WBCHSE Unseen Comprehension Class 12 তৃতীয় সিমেস্টার Unseen — ১০টা সম্পূর্ণ প্যাসেজ, প্রশ্ন ও উত্তর
    WBCHSE দ্বাদশ শ্রেণি তৃতীয় সিমেস্টার ইংরেজি পরীক্ষার জন্য বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ-ভিত্তিক ১০টা WBCHSE Unseen Comprehension Class 12 প্যাসেজ, প্রতিটাতে ১০টা করে প্রশ্ন উত্তরসহ। WBCHSE Unseen Comprehension Class 12 তৃতীয় সিমেস্টার ১০টা সম্পূর্ণ প্যাসেজ ও প্রশ্ন-উত্তর WBCHSE দ্বাদশ শ্রেণির (তৃতীয় সিমেস্টার) মডেল প্রশ্নপত্রগুলোতে প্রতিবারই একটা করে Unseen Comprehension প্যাসেজ থাকে (নম্বর ৩১-৪০), যেখানে একজন বিজ্ঞানী/গবেষক বিরল বন্যপ্রাণী …

    Read more

  • WBCHSE Textual Grammar Class 12 — সব টেক্সট থেকে সম্পূর্ণ প্রশ্ন-উত্তর
    The Bet, Strong Roots, Night Train at Deoli, Our Casuarina Tree, Ulysses ও Riders to the Sea — এই ছয়টা টেক্সট থেকে WBCHSE Textual Grammar Class 12-এর সবকটা প্রশ্নের উত্তরসহ সম্পূর্ণ সংকলন। WBCHSE Textual Grammar Class 12 দ্বাদশ শ্রেণি তৃতীয় সিমেস্টার সম্পূর্ণ গ্রামার প্রশ্ন-উত্তর WBCHSE দ্বাদশ শ্রেণির (তৃতীয় সিমেস্টার) ইংরেজি পরীক্ষায় প্রতিটা টেক্সট থেকে আলাদা …

    Read more

  • Strong Roots Abdul Kalam WBCHSE MCQ — WBCHSE Class 12 তৃতীয় সিমেস্টার সম্পূর্ণ MCQ
    Strong Roots Abdul Kalam WBCHSE MCQ — WBCHSE Class 12 প্রবন্ধের WBCHSE দ্বাদশ শ্রেণি তৃতীয় সিমেস্টার সিলেবাসের সবকটা প্রশ্নের উত্তরসহ সম্পূর্ণ সংকলন। Strong Roots Abdul Kalam WBCHSE MCQ দ্বাদশ শ্রেণি তৃতীয় সিমেস্টার সম্পূর্ণ MCQ প্রশ্ন-উত্তর A.P.J. Abdul Kalam-এর আত্মজৈবনিক রচনা Strong Roots (Wings of Fire বই থেকে নেওয়া) WBCHSE দ্বাদশ শ্রেণির (তৃতীয় সিমেস্টার) ইংরেজি সিলেবাসের …

    Read more

  • Riders to the Sea Synge WBCHSE MCQ— WBCHSE Class 12 তৃতীয় সিমেস্টার সম্পূর্ণ MCQ প্রশ্ন-উত্তর
    Riders to the Sea Synge WBCHSE MCQ — WBCHSE Class 12 তৃতীয় সিমেস্টার, দ্বাদশ শ্রেণি তৃতীয় সিমেস্টার সিলেবাসের সবকটা প্রশ্নের উত্তরসহ সম্পূর্ণ সংকলন। Riders to the Sea Synge WBCHSE MCQ দ্বাদশ শ্রেণি তৃতীয় সিমেস্টার সম্পূর্ণ MCQ প্রশ্ন-উত্তর J.M. Synge-এর একাঙ্ক নাটক Riders to the Sea WBCHSE দ্বাদশ শ্রেণির (তৃতীয় সিমেস্টার) ইংরেজি সিলেবাসের একটা গুরুত্বপূর্ণ নাটক। …

    Read more

  • Night Train at Deoli Ruskin Bond WBCHSE MCQ — WBCHSE Class 12 তৃতীয় সিমেস্টার সম্পূর্ণ MCQ প্রশ্ন-উত্তর
    Night Train at Deoli Ruskin Bond WBCHSE MCQ, দ্বাদশ শ্রেণি তৃতীয় সিমেস্টার সিলেবাসের সবকটা প্রশ্নের উত্তরসহ সম্পূর্ণ সংকলন। Night Train at Deoli (Ruskin Bond) — WBCHSE দ্বাদশ শ্রেণি তৃতীয় সিমেস্টার সম্পূর্ণ MCQ প্রশ্ন-উত্তর Ruskin Bond-এর গল্প Night Train at Deoli WBCHSE দ্বাদশ শ্রেণির (তৃতীয় সিমেস্টার) ইংরেজি সিলেবাসের একটা জনপ্রিয় গল্প। এই পোস্টে এই গল্পের সবকটা …

    Read more

  • Our Casuarina Tree Toru Dutt WBCHSE MCQ, Class 12 তৃতীয় সিমেস্টার সম্পূর্ণ MCQ প্রশ্ন-উত্তর
    Our Casuarina Tree Toru Dutt WBCHSE MCQ, দ্বাদশ শ্রেণি তৃতীয় সিমেস্টার সিলেবাসের সবকটা MCQ প্রশ্নের উত্তরসহ সম্পূর্ণ সংকলন। Our Casuarina Tree (Toru Dutt) — WBCHSE দ্বাদশ শ্রেণি তৃতীয় সিমেস্টার সম্পূর্ণ MCQ প্রশ্ন-উত্তর Toru Dutt-এর কবিতা Our Casuarina Tree WBCHSE দ্বাদশ শ্রেণির (তৃতীয় সিমেস্টার) ইংরেজি সিলেবাসের একটা গুরুত্বপূর্ণ কবিতা। এই পোস্টে এই কবিতার সবকটা MCQ প্রশ্ন …

    Read more

Leave a Comment