
ভারতীয় সংবিধান গণতন্ত্রের কাঠামো ও জনগণের অধিকার
এক নজরে ভারতীয় সংবিধান
- ভারতীয় সংবিধানের প্রস্তাবনার রাষ্ট্রব্যবস্থার বর্ণনা দিয়ে বলা হয়েছে, এটি একটি-সার্বভৌম, সমাজতান্ত্রিক, ধর্মনিরপেক্ষ, গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র।
- ভারতীয় সংবিধানে প্রস্তাবটির খসড়া রচনা করেন-জওহরলাল নেহরু।
- ৪২ তম সংশোধনীতে ‘সমাজতান্ত্রিক ও ধর্মনিরপেক্ষ’ শব্দ দুটি যখন ভারতের
- সংবিধানের প্রস্তাবনায় যোগ করা হয় তখন ভারতের প্রধানন্ত্রী ছিলেন-ইন্দিরা গান্ধী।
- ভারতের সংবিধান প্রকৃতিগতভাবে-অংশত নমনীয় এবং অংশত অনমনীয়।
- ভারতের সংবিধানে কল্যাণমূলক রাষ্ট্রের ধারণাটির প্রয়োগ দেখা যায়- নির্দেশমূলক নীতিসমূহ।
- ব্যক্তির অধিকারের রক্ষাকবচ-সুপ্রীম কোর্টকে দেওয়া হয়েছে।
- মৌলিক অধিকারের তালিকা থেকে সম্পত্তির অধিকারটি বাদ দেওয়া হয়েছিল-৪৩তম সংশেধনীতে।
- ভারতের সংবিধানে নির্দেশাত্মক নীতি লিপিবদ্ধ করা হয়েছে-সংবিধানের চতুর্থ খণ্ডে।
- সংবিধানের মৌলিক অধিকারের ক্ষেত্রে বাধানিষেধ আরোপ করার ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে-পার্লমেন্টকে।
- রাষ্ট্রপতি ও উপরাষ্ট্রপতি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে কোন বিরোধ দেখা দিলে তার নিষ্পত্তি করে-সুপ্রাম কোর্ট।
ভারতীয় সংবিধানের প্রস্তাবনা | ভারতীয় সংবিধানের প্রস্তাবনা pdf
- রাষ্ট্রপতি পদত্যাগ করলে বা তাঁর মৃত্যু হলে সেই সময় উপরাষ্টপতির পদে কেউ না থাকলে রাষ্ট্রপতি পদের কার্য নির্বাহ করেন-সুপ্রীম কোর্টের প্রধান বিচারপতি।
- সংবিধনে ‘যুদ্ধ ঘোষণা’ করার কিংবা ‘শান্তি চুক্তি’ করার ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে-রাষ্ট্রপতিকে।
- লোকসভার কয়জন ইঙ্গ-ভারতীয় সদস্যকে রাষ্ট্রপতি মনোনীত করতে পারে- দুই জন।
- রাষ্ট্রপতি যদি কার্যকালের মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই পদত্যাগ করতে চান তাহলে তাঁকে পদত্যাগ পত্র দিতে হয়-উপরাষ্ট্রপতির কাছে।
- কোন কারণে রাষ্ট্রপতির পদ খালি হলে সংবিধান অনুসারে নতুন রাষ্ট্রপতির নির্বাচন করতে হয়-৬ মাসের মধ্যে।
- রাজ্যসভার কয়জন সদস্য রাষ্ট্রপতি মনোনীত করতে পারেন-বারো জন।
- পর পর দুরার রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হয়েচিলেন-ডক্টর রাজেন্দ্র প্রসাদ।
- সংবিধান অনুসারে জরুরী অবস্থা ঘোষণা করতে পারেন-রাষ্ট্রপতি।
- জাতীয় জরুরী অবস্থা ঘোষণার ক্ষমতা সংবিধানে কোন ধারায় দেওয়া হয়েছে-৩৫২ ধারায়।
- ভারতের উপরাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন-লোকসভার ও রাজ্যশভায় যুগ্ম অধিবেশেন উভয় সভার সদস্যদের দ্বারা।
ভারতীয় সংবিধানের বৈশিষ্ট্য | ভারতীয় সংবিধানের মূল বৈশিষ্ট্য
- রাজ্যপাল তার কাজের জন্য দায়বদ্ধ থাকেন-রাষ্ট্রপতি কাছে।
- এ পর্যন্ত জরুরী অবস্থা ঘোষিত হয়েছে-তিন বার।
- রাষ্ট্রপতি জরুরী অবস্থা ঘোষণা করতে পারেন-মন্ত্রী পরিষদের সুপারিশ মতো।
- একটি আইনের প্রস্তাব পার্লামেন্টের উভয় কক্ষে অনুমোদিত হয়ে রাষ্ট্রপতি সম্মতির জন্য গেলে-প্রস্তাবটিকে তিনি পুনর্বিবেচনার জন্য পার্লামেন্টের কাছে ফেরত পাঠাতে পারেন।
- উপসাষ্ট্রপতি পদাধিকার বলে সভাপতিত্ব করেন-রাজ্যসভার অধিবেশনে।
- মন্ত্রীপরিষদের সভায় সভাপতিত্ব করেন-প্রধানমন্ত্রী।
- একজন ব্যক্তি পার্লামেন্টের কোন কক্ষের সদস্য না হয়েও মন্ত্রী পরিষদের সদস্য নিযুক্ত হতে পারেন-৬ মাস পর্যন্ত।
- ভারতের কেন্দ্রীয় আইনসভা বা পার্লমেন্ট গঠিত হয়-রাষ্ট্রপতি, লোকসভা ও রাজ্যসভাকে নিয়ে।
- লোকসভায় নির্বাচিত সদস্যের সর্ব্বেচ্চ সংখ্যা-৫৪৩ জন।
- সংবিধান অনুসারে মন্ত্রী পরিষদ দায়িত্বশীল থাকে-লোকসভার কাছে।
- লোকসভার দুটি অধিবেশনের মধ্যে সময়ের ব্যবধান সবের্বাচ্চ হতে পাবে- ৬ মাস।
- পাঁচ বছরের মেয়াদ পূর্ণ হবার আগেই লোকসভাকে ভেঙ্গে দিতে পারেন- প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ মতো রাষ্ট্রপতি।
ভারতের সংবিধান – বৈশিষ্ট্য, সংশোধনী এবং প্রস্তাবনা in bengali
- রাজ্যসভার নির্বাচিত সদস্যদের সংখ্যা-২৩৩ জন।
- লোকসভার কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলির সর্ব্বোচ্চ সদস্য সংখ্যা-২০ জন।
- লোকসভায় স্পিকার নির্বাচিত হন-লোকসভার সদস্যদের দ্বারা।
- রাজ্যসভায় কোন্ রাজ্যের প্রতিনিধি সবচেয়ে বেশী-উত্তর প্রদেশের।
- জাতীয় জরুরী অবস্থা ঘোষিত হলে রাষ্ট্রপতি লোকসভার আয়ু বাড়িয়ে দিতে পারেন-এক বছর।
- লোকসভার অধিবেশনে সভপতিত্ব করেন-স্পিকার।
- একজন ব্যক্তি একই সঙ্গে একাধিক রাজ্যের রাজ্যপাল নিযুক্ত হতে পারেন কি-হ্যাঁ।
- সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতিদের অবসর গ্রহণের বয়স-৬৫ বছর।
- সুপ্রিম কোর্টের একজন প্রধান বিচারপতি ছাড়া বিচারপতির সংখ্যা সর্বাধির- ২৫ জন (মূল সংবিধানে ছিল-১ জন প্রধান বিচারপতি ও ৭ জন অন্যান্য বিচারপতি)।
- রাজ্যসভার সদস্যারা নির্বাচিত বা মনোনীত হন-৬ বছরের জন্য।
- সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতিরা- প্রধান বিচারপতির সঙ্গে আলোচনার ভিত্তিতে রাষ্ট্রপতি দ্বারা নিযুক্ত হন।
- রাজ্যসভা একটি স্থায়ী সংস্থা কিন্তু-প্রতি দু’বছর অন্তর রাজ্যসভার এক তৃতীয়াংশ সদস্যের সদস্যপদ খারিজ হয়।
ভারতের সংবিধান ও ভারতের সুপ্রিম কোর্ট | ভারতীয় সংবিধান: ইতিহাস, বৈশিষ্ট্য এবং গুরুত্ব
- সুপ্রিম কোর্টের কোনও বিচারপতিকে- পার্লামেন্ট বা সংসদ সুপারিশ করলে রাষ্ট্রপতি পদ থেকে অপসারণ করতে পারেন।
- অর্থ বিল রাজ্যসভায় প্রেরিত হওয়ার পরে সেটিকে ফেরৎ পাঠাতে হয়- ১৪ দিনের মধ্যে।
- ভারতের সংবিধান: ভারতের রাষ্ট্রপতি ও পার্লামেন্টের মধ্যে সংযোগ রক্ষা করেন- প্রধানমন্ত্রী।
- কোন রাজ্যের রাজ্যপালের মৃত্যু হলে বা তিনি পদত্যাগ করলে নতুন রাজ্যপাল নিযুক্ত না হওয়া পর্যন্ত রাজ্যপালের দায়িত্ব পালন করেন-রাজ্যের
- হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি।
- ভারতের সংবিধান অনুসারে রাজ্যে শাসন বিভাগের প্রধান-রাজ্যপাল।
- রাষ্ট্রপতিকে কোনো রাজ্যের রাজ্যপাল নিয়োগ করার আগে পরামর্শ করেন-সেই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে।
- কার্যকালের মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে কোন রাজ্যপাল পদত্যাগ করতে চাইলে তাকে পদত্যাগ করতে চাইলে তাকে পদত্যাগ পত্র পাঠাতে হয়-রাষ্ট্রপতির কাছে।
- রাজ্যপালকে শপথ বাক্য পাঠ করান-রাজ্য হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি।
- রাজ্যপাল কোন অর্ডিন্যান্স জারি করলে তা কার্যকর থাকে-৬ মাস।
ভারতের সংবিধানে অনুচ্ছেদ 21 | ভারতীয় সংবিধান, ভারতের সংবিধান, সংবিধানের মূল বৈশিষ্ট্য, মৌলিক অধিকার
- রাজ্যের মন্ত্রী পরিষদের সভায় সভাপতিত্তৰ করেন-মুখ্যমন্ত্রী।
- ভারতের কেন্দ্রশাসিত অঞ্চ লের সংখ্যা-৭টি (দিল্লি-সহ)
- কোন্ রাজ্যটি রাজ্য হিসাবে গঠিত হয়েছে-ঝাড়খণ্ড (১৫ নভেঃ ২০০০)।
- ভারতবর্ষের পার্লামেন্টের সর্বশেষ নির্বাচন হয়েছিল-2024 সালে।
- ভারতের সবচেয়ে বেশী কাল মুখ্যমন্ত্রীত্ব করেছেন-জ্যোতি বসু।
- ভারত, পাকিস্তানের মধ্যে ‘সিমলা চুক্তি’ সর্বক্ষরিত হয়-১৯৭২ সালে।
- সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী এবং বিমান বাহিনীর সর্বাধিনায়ক-রাষ্ট্রপতি।
- ‘আইনবিদের স্বর্গ’ বলতে বোঝায়-ভারতীয় সংবিধানকে।
- ভারতের রাষ্ট্রপতির সর্বউচ্চ বয়স-কোনো বয়স সীমা নেই।
- লোকসভার অধ্যক্ষ পদত্যাগ পত্র জমা দেন-লোকসভার উপাধ্যক্ষের নিকট।
- বিদেশে ভারতের রাষ্ট্রদূতেরা নিযুক্ত হন-রাষ্ট্রপতির দ্বারা।
- ভারতের সংবিধান: মৌলিক অধিকারগুলি বাতিল হতে পারে-জাতীয় জরুরী অবস্থা সময়।
- সংবিধান পরিষদের উপদেষ্টা হিসাবে কার্যনির্বাহ করেন-বি এন রাও।
- নতুন রাজ্য গঠন অথবা বর্তমান রাজ্যগুলির সীমা নির্ধারণের ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে-সংসদকে।
- ভারতীয় নাগরিকত্বের জন্য আবেদন জানাতে গেলে কোনো ব্যক্তিকে ভারতে অন্তত থাকতে হবে-৫ বছর।
- মৌলিক অধিকারগুলি লিপিবদ্ধ-সংবিধানের তৃতীয় খণ্ডে।
- Habeas Corpus আক্ষরিত অর্থ-‘তোমার কি অধিকার’।
- Habeas Corpus আক্ষরিত অর্থ-‘তোমার কি অধিকার’।
- রাষ্ট্র পরিচালনার নির্দেশমূলক নীতিগুলির উদ্দেশ্য হল-দেশে প্রকৃত গণতন্ত্রের জন্য একটি সামাজিক ও অর্থনৈতিক ভিত্তি দান করা।
ভারতের সংবিধান প্রণয়নে গণপরিষদের ভূমিকা সম্বন্ধে আলোচনা
- ভারতীয় সংবিধানের কত ধারা অনুসারে রাষ্ট্রপতিকে ইমপীচ করা যায়- ৬১ নং ধারা।
- লোকসভার ‘জিরো আওয়া’-এর স্থায়িত্বকাল-নির্দেশ করা নেই।
- লোকসভার স্পীকার ভোট প্রয়োগ করেন-যখন ‘টাই’ হয় অর্থাৎ উভয়পক্ষের ভোট সমান হয়।
- ভারত সরকারে ব্যয় নিয়ন্ত্রম করার ক্ষমতা আছে-সংসদের।
- কোন বিল অর্থবিল কিনা সে সম্পর্কে নিদ্ধান্ত নেন-লোকসভার স্পীকার।
- স্পীকার বা ডেপুটি স্পীকারের অনুপস্থিতিতে কে লোকসভার সভাপতিত্ব করেন-স্পীকার-ঘোষিত চেয়ারম্যানদের প্যানেলের কোনো সদস্য।
- ‘প্রোটেম স্পীকারের’ কাজ-সদস্যদের শপথ বাক্য পাঠ করানো ও নিয়মিত স্পীকার নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত দায়িত্ব নির্বাহ করা।
- লোকসভা মুলতবী রাখার ক্ষমতা আছে-রাষ্ট্রপতির।
- * ভারতে প্রথম সাধারণ নির্বাচন ডাকা হয়-১৯৫১-৫২ সালে।
- * একটি Hung Parliament বা ত্রিশঙ্কু সংসদের বর্ণনা-একটি সংসদ যেখানে কোনো দলেরই স্পষ্ট সংখ্যাগরিষ্ঠতা নেই।
- বর্তমানে লোকসভায় বিভিন্ন রাজ্যের জন্য আসন সংখ্যা নির্ধারণ করা হয়েছে-১৯৭১ সালের আদমসুমারির ভিত্তিতে।
- কোন্ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীকে অপসারণ করা যেতে পারে যদি রাজ্যপালের মতে-রাজ্যে সংবিধানতন্ত্র ভেঙে পড়েছে এমন হয়।
- রাজ্যের কোন্ কক্ষে অর্থবিল আনা যায়-কেবল রাজ্য বিধানসভায়।
- কেন্দ্রীয় তালিকায় আছে-৯৭টি দফা।
সংবিধান প্রণয়নকারী – ভারতের সংবিধান – Constitution of India in Bengali
- রাজ্য তালিকায় আছে-৬৬টি দফা।.
- যুগ্ম তালিকায় (Concurrent List) আছে-৪৭টি দফা।
- কোন্ করটির অংশ কেন্দ্রীয় সরকার রাজ্য সরকারের সঙ্গে ভাগ করে নেয় না-কাস্টমস্ শুল্ক।
- কোন্ সংবিধান সংশোধনীকে বলা হয় সংবিধানের একটি ক্ষুদ্র সংস্করণ- ৪২তম সংশোধনী (১৯৭৬ সাল)।
- ভারত সরকারের মুখ্য বৈধ উপদেষ্টা-অ্যার্টনি জেনারেল।
- যদি অ্যার্টনি জেনারেল তাঁর কার্যমেয়াদ শেষ হওয়ার পূর্বে পদত্যাগ করার ইচ্ছা করেন, পদত্যাগ পত্র পেশ করতে হবে-রাষ্ট্রপতিকে।
- মূল সংবিধানে স্বীকৃত দেওয়া হয়-১৪টি আঞ্চলিক ভাষাকে (বর্তমানে ২২টি)।
- পঞ্চায়েতি রাজ -একটি প্রশাসনিক কাঠামো।
- ভারতীয় সংবিধানের স্থপতি-ডঃ বি আর আম্বেদকর।
- বর্তমানে সংবিধানের কয়টি ধারা ও তপসিল আছে-৪৪৪টি ধারা ও ১২টি তপসিল।
- সংবিধানের কত তম সংশোধনে সম্পত্তির অধিকারকে মৌলিক অধিকার থেকে বাদ দেওয়া হয়-৪৪তম (১৯৭৮ সাল)।
ভারতীয় সংবিধানের ধারা সমূহ |ডঃ বি আর আম্বেদকর সংবিধানের রূপকার
- সংবিধান সভার গৃহীত সংবিধানে সভাপতি হিসাবে স্বাক্ষর করেন-ডঃ রাজেন্দ্রপ্রসাদ।
- পাকিস্তানের জন্য পৃথক সংবিধান সভা গঠনের কথা কবে ঘোষিত হয়- ১৯৪৭ সালের ২৬শে জুলাই।
- বর্তমানে সংবিধানের ক’টি মৌলিক অধিকার স্বীকৃত আছে-৬টি।
- সংবিধানের কোন্ অধ্যায়ের মৌলিক অধিকার বর্ণিত আছে-তৃতীয়।
- মূল সংবিধানে ভারতের রাজ্যক্ষেত্র ছিল-৪ প্রকার।
- মাদ্রাজ রাজ্য’-নাম পরিবর্তন করে তামিলনাড়ু হয়-১৯৬৮ সালে।
- মৌলিক অধিকার রদ করতে পারেন কে-রাষ্ট্রপতি।
- ভারতের সংবিধানে কয় ধরনের স্বাধীনতার স্বীকৃতি আছে-৬টি।
- সংবিধানে ‘গান্ধীবাদী নীতি’ বর্ণিত হয়েছে-নির্দেশাত্মক নীতিতে।
- ভারতের নিয়মতান্ত্রিক প্রধান-রাষ্ট্রপতি।
- লোকসভা কোন্ সদস্য ইস্তফাপত্র জমা দেন-স্পীকারকে।
- লোকসভা প্রথম গঠিত হয়-১৯৫২ সালে।
- প্রতি বছরের অধিবেশনের প্রারম্ভে সংসদের দুই কক্ষের মিলিত অধিবেশনে প্রথম ভাষণ দেন-রাষ্ট্রপতি।
- রাজ্য বিধানসভার সর্বাদিক সদস্য সংখ্যা হতে পারে-৫০০ জন।
- বিধান পরিষদের প্রার্থী হওয়ার নূন্যতম বয়স-৩০ বছর।
- পশ্চিম বঙ্গের ‘বিধান পরিষদের’ বিলোপ করা হয়-১৯৬৯ সালে।
- বর্তমানে সুপ্রিম কোর্টের সর্বাধিক বিচারপতির সংখ্যা কত-২৬ জন।
- জাতীয় উন্নয়ন পরিষদ গঠিত হয়-১৯৫২ সালে।
- PSC-র সদস্যদের স্বাভাবিক অবসর গ্রহণের বয়স-৬২ বছর।
- পঞ্চায়েত প্রার্থীর ন্যূনতম বয়স-২১ বছর।
- পশ্চিমবঙ্গের প্রথম মুখ্যমন্ত্রী-প্রফুল্লচন্দ্র ঘোষ।
- ভারতের লোকসভার প্রথম অধ্যক্ষ-গণেশ বাসুদেব
সংবিধানের প্রস্তাবনা
“আমরা, ভারতের জনগণ, ভারতকে সার্বভৌম, সমাজতান্ত্রিক, ধর্মনিরপেক্ষ, গণতান্ত্রিক, সাধারণতন্ত্ররূপে গড়ে তুলতে এবং তার সকল নাগরিকই যাতে সামাজিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক ন্যায়বিচার,চিন্তা, মতপ্রকাশ, বিশ্বাস, ধর্ম এবং উপাসনার স্বাধীনতা, সামাজিক প্রতিষ্ঠা অর্জন ও সুযোগের সমতা প্রতিষ্ঠা এবং তাদের সকলের মধ্যে ব্যক্তির মর্যাদা এবং জাতীয় ঐক্য ও সংহতি সুনিশ্চিতকরণের মাধ্যমে তাদের মধ্যে যাতে ভাতৃত্বের ভাব গড়ে ওঠে তার জন্য সত্যনিষ্ঠার সঙ্গো শপথ গ্রহণ করে, আমাদের গণপরিষদে আজ, ১৯৪৯ সালের ২৬ নভেম্বর, এতদ্বারা সংবিধান গ্রহণ, বিধিবদ্ধ নিজেদের অর্পণ করছি।”
ভারতীয় নাগরিকের মৌলিক অধিকার
(ভারতীয় সংবিধান, ধারা ১৪-৩০, ৩২ ও ২২৬)
১। সাম্যের অধিকার
- আইনের দৃষ্টিতে সবাই সমান এবং আইন সকলাকে সমানভাবে রক্ষা করবে।
জাতি, ধর্ম, বর্ণ, নারী-পুরুষ, জন্মস্থান প্রভৃতি কারণে রাষ্ট্র কোনো নাগরিকের সঙ্গে বৈষম্যমূলক আচরণ করবে না।
- সরকারি চাকরির ক্ষেত্রে যোগ্যতা অনুসারে সকলের সমান অধিকার।
- অস্পৃশ্যতা নিষিদ্ধ এবং আইন অনুসারে দন্ডনীয় অপরাধ।
২। স্বাধীনতার অধিকার
- বাক স্বাধীনতা ও মতামত প্রকাশের অধিকার।
- শান্তিপূর্ণ ও নিরস্ত্রভাবে সমবেত হওয়ার অধিকার।
- সংঘ ও সমিতি গঠনের অধিকার।
- ভারতের সর্বত্র স্বাধীনভাবে চলাফেরা করার অধিকার।
- ভারতের যে-কোনো স্থানে স্বাধীনভাবে বসবাস করার অধিকার।
- যে-কোনো জীবিকা, পেশা বা ব্যাবসাবাণিজ্য করার অধিকার।
- জীবন ও ব্যক্তিগত স্বাধীনতার অধিকার।
৩। শোষনের বিরুদ্ধে অধিকার
- কোনো ব্যক্তিকে ক্রয়, বিক্রয় করা বা বেগার ঘাটানো যাবে না।
- চোদ্দো বছরের কম বয়স্ক শিশুদের খনি, কারখানা বা অন্য কোনো বিপজ্জনক কাজে নিযুক্ত করা যাবেনা।
৪। ধর্মীয় স্বাধীনতার অধিকার
- সকল ব্যক্তিই সমানভাবে সমানভাবে বিবেকের স্বাধীনতা অনুসারে ধর্মস্বীকার, ধর্মাচরণ এবং ধর্মপ্রচারের স্বাধীনতা ভোগ করবে।
- কোনো বিশেষ ধর্ম বা সম্প্রদায়ের প্রসার বা রক্ষণাবেক্ষণের জন্য কোনো সম্প্রদায় বা ব্যক্তিকে কর দিতে বাধ্য করা যাবেনা।
- রাষ্ট্র পরিচালিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ধর্মশিক্ষা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ
৫। সংস্কৃতি ও শিক্ষা-বিষয়ক অধিকার
- সকল শ্রেণির নাগরিক নিজস্ব ভাষা, লিপি ও সংস্কৃতির বিকাশ ও সংরক্ষণ করতে পারবে।
- রাষ্ট্র পরিচালিত বা সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষালাভের ক্ষেত্রে কোনো ব্যপ্তিকে ধর্ম, জাতি বা ভাষার অজুহাতে বঞ্চিত করা যাবেনা।
- ধর্ম অথবা ভাষাভিত্তিক সংখ্যালঘু সম্প্রদায়গুলি নিজেদের পছন্দমতো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান স্থাপন ও পরিচালনা করতে পারবে।
৬। মৌলিক অধিকার রক্ষা বিষয়ক
- মৌলিক অধিকারগুলি বলরং ও কার্যকর করার জন্য নাগরিকরা সুপ্রিমকোর্ট ও হাইকোর্টের কাছে আবেদন করতে পারবে-প্রয়োজনে বিশেষ লেখ (Writ) জারি করতে পারবে: হেবিয়াস করপাস (Habeas Corpus) মান্ডামাস (Mandamus), সারশিওরারি (Certiorari), প্রহিবিশান (Prohibition) ও কুয়ো ওয়ারেন্টো (Quo-Warranto)।
ভারতীয় সংবিধানে মৌলিক কর্তব্য
(ভারতীয় সংবিধান, ধারা ৫১এ)
- সংবিধানের প্রতি আনুগত্য, সাংবিধানিক আদর্শ ও প্রতিষ্ঠান, জাতীয় পতাকা ও জাতীয় সংগীত সম্পর্কে শ্রদ্ধাবোধ।
- মহৎ যেসব আদর্শ স্বাধীনতা সংগ্রামে আমাদের উদ্বুদ্ধ করেছে তাদের লালন ও অনুসরণ।
- ভারতের সার্বভৌমত্ব, ঐক্য ও সংহতি রক্ষা
- আহ্বান এলে দেশরক্ষা ও জাতির সেবায় আত্মনিয়োগ করা।
- ভাষ্য-ধর্ম-অঞ্চল-শ্রেণি নির্বিশেষে ভারতের জনগণের মধ্যে পারস্পারিক ঐক্যচেতনা ও ভাতৃত্ববোধের উদবোধন।
- দেশের মিশ্র সংস্কৃতির মূল্যবান উত্তরাধিকারের মাহাত্ম্য উপলব্ধি ও সংরক্ষণ।
- অরণ্য, হ্রদ, নদনদী, বন্যজীবনসহ প্রাকৃতিক পরিবেশ রক্ষণ ও উন্নয়ন এবং প্রাণীজগতের প্রতি সহানুভূতি পোষণ।
- বিজ্ঞানমনস্কতা, মানবতাবাদ, অনুসন্ধান ও সংস্কারের বিকাশ।
- সরকারি সম্পত্তি রক্ষা করা ও হিংসা পরিহার করা।
- জাতি যাতে নিয়ত তার কর্ম উদ্যম ও সাফল্যের উচ্চতর স্তরে পৌঁছোতে পারে, জীবনের সর্বক্ষেত্রে ব্যক্তিগত ও সমবেত প্রয়াসে উৎকর্ষের সেই লক্ষ্যে পৌঁছোনোর প্রচেষ্টা।
- পিতা-মাতা/অভিভাবকের দায়িত্ব ৬-১৯ বছর বয়স্ক শিশুদের শিক্ষার সুযোগের বাসস্থা করা।
FAQ
Q.1: ভারতীয় সংবিধান কবে কার্যকরী হয় ?
Ans: 26 জানুয়ারী 1950 তারিখে
Q.2: ভারতীয় সংবিধানের ধারা কয়টি 2024 ?
Ans: ভারতীয় সংবিধানে মোট 448টি অনুচ্ছেদ রয়েছে
Q.3: ভারতীয় সংবিধান সভায় প্রথম অধ্যক্ষ কে ছিলেন?
Ans: জি. ভি. মাভালঙ্কার
Q.4: ভারতের সংবিধানের জনক কে?
Ans: ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
Q.5: খসড়া কমিটির প্রধান কে?
Ans: ডঃ বি আর আম্বেদকর
Q.6: সংবিধান কবে গৃহীত হয়?
Ans: 1949 সালের 26শে নভেম্বর, ভারতের গণপরিষদ ভারতের সংবিধান গৃহীত হয়, যা 26শে জানুয়ারী 1950 থেকে কার্যকর হয়
Q.7: গণপরিষদের প্রতীক কি?
Ans: হাতি
Q.8: ভারতের শাসন বিভাগের প্রধান কে?
Ans: রাষ্ট্রপতি
Q.9: ভারতের সংবিধানের রূপকার কে ছিলেন?
Ans: ডঃ বি আর আম্বেদকর
Q.10: প্রধানমন্ত্রীকে কে নিয়োগ করেন?
Ans: রাষ্ট্রপতি
আরো পড়ুন :
প্রফুল্ল চাকী: এক অকাল মৃত্যুবরণকারী দেশপ্রেমিক
আরো পড়ুন :
আলবার্ট আইনস্টাইন এর জীবন থেকে ১০টি অজানা তথ্য
আরো পড়ুন :
চারুচন্দ্র দত্ত: ভারতীয় স্বাধীনতা সংগ্রামের অবিস্মরণীয় যোদ্ধা
আরো পড়ুন :
বাংলার রাজনীতিতে দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাস | দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাস জীবনী
- 5.1 ভারত: অবস্থান ও প্রশাসনিক বিভাগ | Class 10 Geography Short Question and Answer 2025
5.1 ভারত: অবস্থান ও প্রশাসনিক বিভাগ (ভারত – পঞ্চম অধ্যায়) থেকে বহুবিকল্পভিত্তিক, সংক্ষিপ্ত, অতিসংক্ষিপ্ত এবং রচনাধর্মী প্রশ্ন উত্তর (MCQ, Very Short, Short, Descriptive Question and Answer) গুলি আগামী West Bengal Class 10th Madhyamik Geography Examination – পশ্চিমবঙ্গ মাধ্যমিক ভূগোল পরীক্ষার জন্য খুব ইম্পর্টেন্ট তোমরা যারা মাধ্যমিক ভূগোল পরীক্ষার জন্য 5.1 ভারত: অবস্থান ও প্রশাসনিক বিভাগ (ভারত – পঞ্চম অধ্যায়) MCQ প্রশ্ন ও … - চক্রপাণি দত্ত: কিংবদন্তী চিকিৎসক ও পণ্ডিত
চক্রপাণি দত্ত ছিলেন বিখ্যাত একজন আদর্শ চিকিৎসক এবং শারীরতত্ত্ববিদ। বহু দূর থেকে রোগীরা তাঁর কাছে চিকিৎসার জন্য আসতেন। তিনি রোগীদের চিকিৎসা করতেন আনন্দ সহকারে এবং অবসর সময়ে বই লিখতেন। তাঁর রচিত গ্রন্থগুলির মধ্যে ‘চিকিৎসা সংগ্রহ‘, ‘দ্রব্য গুণ‘ এবং ‘সর্বসার সংগ্রহ‘ উল্লেখযোগ্য। ‘চক্রদত্ত‘ নামক গ্রন্থে তিনি চিকিৎসা সংক্রান্ত বিষয় লিপিবদ্ধ করেছেন। টীকাকার ও উপাধি চক্রপাণি দত্ত … - পশ্চিমবঙ্গ সরকারের EWS সার্টিফিকেট পাওয়ার পদ্ধতি | EWS Certificate West Bengal Criteria | EWS সার্টিফিকেট কি এবং কেন এটি গুরুত্বপূর্ণ?
EWS সম্পূর্ণ কথাটি হল ইকনোমিক্যালি উই কার সেকশন (Economically Weaker Section) বা সমাজের অর্থনৈতিকভাবে দুর্বল শ্রেণি। EWS সার্টিফিকেটের মূল উদ্দেশ্য হলো সমাজের অর্থনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়া অংশকে নির্দিষ্ট কিছু সরকারি সুযোগ সুবিধা দেওয়া।এই সার্টিফিকেট এর মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং সরকারি চাকরিতে 10% সংরক্ষণ পাওয়া যেতে পারে। শুধুমাত্র জেনারেল কাস্ট যারা অন্য কোন সংরক্ষণের অন্তর্ভুক্ত … - ধাতুবিদ্যা দশম শ্রেণী – প্রশ্ন উত্তর | WBBSE Class 10th Physical Science Suggestion ভৌত বিজ্ঞান দশম শ্রেণী
দশম শ্রেণী ভৌত বিজ্ঞান সাজেশন – WBBSE Class 10th Physical Science Suggestion – ধাতুবিদ্যা দশম শ্রেণী Chapter 8.5 – প্রশ্ন উত্তর নিচে দেওয়া হল । এই WBBSE Class 10th (X) Madhyamik Physical Science Suggestion – মাধ্যমিক দশম শ্রেণীর ভৌত বিজ্ঞান সাজেশন – ধাতুবিদ্যা দশম শ্রেণী – প্রশ্ন উত্তর গুলি আগামী 2026 সালের পশ্চিমবঙ্গ মাধ্যমিক ভৌত বিজ্ঞান … - তড়িৎ প্রবাহ ও রাসায়নিক বিক্রিয়া – প্রশ্ন উত্তর | WBBSE Class 10th Physical Science Suggestion ভৌত বিজ্ঞান দশম শ্রেণী
দশম শ্রেণী ভৌত বিজ্ঞান সাজেশন – WBBSE Class 10th Physical Science Suggestion – তড়িৎ প্রবাহ ও রাসায়নিক বিক্রিয়া Chapter 8.3 – প্রশ্ন উত্তর নিচে দেওয়া হল । এই WBBSE Class 10th (X) Madhyamik Physical Science Suggestion – মাধ্যমিক দশম শ্রেণীর ভৌত বিজ্ঞান সাজেশন – তড়িৎ প্রবাহ ও রাসায়নিক বিক্রিয়া – প্রশ্ন উত্তর গুলি আগামী সালের পশ্চিমবঙ্গ … - মাধ্যমিক জীবন বিজ্ঞান – জীবনের প্রবাহমানতা (দ্বিতীয় অধ্যায়) প্রশ্ন ও উত্তর | Madhyamik Life Science Question and Answer
মাধ্যমিক জীবন বিজ্ঞান প্রশ্ন ও উত্তর : জীবনের প্রবাহমানতা (দ্বিতীয় অধ্যায়) Madhyamik Life Science Question and Answer : মাধ্যমিক জীবন বিজ্ঞান – জীবনের প্রবাহমানতা (দ্বিতীয় অধ্যায়) প্রশ্ন ও উত্তর | Madhyamik Life Science Question and Answer, দশম শ্রেণীর জীবন বিজ্ঞান দ্বিতীয় অধ্যায় এর প্রশ্ন উত্তর pdf নিচে দেওয়া হলো MCQ প্রশ্নোত্তর | মাধ্যমিক জীবন বিজ্ঞান – …