হোমি জাহাঙ্গীর ভাবা ভারতের পরমাণু শক্তি গবেষণার জনক | হোমি জাহাঙ্গীর ভাবা জীবনী

Homi J. Bhabha Scientist
Homi J. Bhabhaহোমি জাহাঙ্গীর ভাভা

স্বাধীনতার পর ভারতকে একটি অন্যতম পরমাণু শক্তিধর রাষ্ট্রে পরিণত করার পিছনে যে সমস্ত বিজ্ঞানীর অবদান অতুলনীয় তাদের মধ্যে প্রথমেই রয়েছেন বিজ্ঞানী হোমি জাহাঙ্গীর ভাবা। পরমাণু গবেষণায় দেশকে অনেক এগিয়ে নিয়ে গেছেন এই স্বনামধন্য বিজ্ঞানী। মাত্র ৫৭ বছরের জীবনে তিনি গবেষণায় একের পর এক সাফল্য ছুঁয়ে গেছেন।

একের পরে গবেষণাপত্র প্রকাশ পেয়েছে বিশ্বের স্বনামধন্য পত্রপত্রিকায়। তার সাথে ছড়িয়ে পড়েছে দেশের নাম। ভারত এক অন্যতম পরমাণু শক্তিধর রাষ্ট্রে রূপান্তরিত হয়েছে বিশ্বের তাবড় তাবড় পরমাণু শক্তিধর রাষ্ট্রের পাশে স্থান করে নিয়েছে। এই কারণে তাকে ভারতীয় নিউক্লিয় প্রোগ্রামের জনক বলা হয়। ১৯৪৮ সালে তাকে প্রদান করে শুরু হয় ভারতের পারমাণবিক শক্তি কমিশনের পথ চলা।

Table of Contents

জন্ম ও বংশ পরিচয় | Homi J. Bhabha in Bengali

হোমি জাহাঙ্গীর ভাবা ১৯০৯ সালের ৩০ শে অক্টোবর জন্মগ্রহণ করেন মুম্বাইয়ের এক পারসি পরিবারে। হোমি জাহাঙ্গীর ভাবার পিতা ছিলেন হরমুশজি ভাবা। তিনি পেশায় ছিলেন একজন আইনজীবী এবং তার মায়ের নাম মেহেরিন।তার স্ত্রী ছিলেন জ্যাকলিন স্ট্রিম্পেল ভাভা , একজন ব্রিটিশ শিক্ষাবিদ এবং একজন অ্যাটর্নি

শিক্ষা, গবেষণা ও কর্মজীবন |হোমি জাহাঙ্গীর ভাবা

বর্তমান মুম্বাই শহরে হোমি জাহাঙ্গীর ভাবার পড়াশোনা শুরু। এখান থেকেই তিনি তার প্রাথমিক শিক্ষা শুরু করেন ক্যাথেড্রাল এবং জন কন্নন বিদ্যালয় থেকে। তখনকার সময়ে কলকাতার মতোই মুম্বাই ছিল ভারতীয় শিক্ষার একটি অন্যতম প্রধান কেন্দ্র।

পরে কেমব্রিজের গনভিল ও কাইয়াস কলেজে ভর্তি হন উচ্চশিক্ষা গ্রহণের জন্য। এখানে তার বিষয়বস্তু ছিল ইঞ্জিনিয়ারিং। ইঞ্জিনিয়ারিং এর অন্যতম শাখা মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং এ তার অত্যন্ত আগ্রহ ছিল। তিনি শিক্ষা সম্পন্ন করে ভারতে ফিরে আসেন। তার পরিবারের ইচ্ছে ছিল তিনি ভারতে ফিরে জামশেদপুরের টাটা আয়রন এন্ড স্টিল কোম্পানিতে জয়েন করেন।

১৯৩১ সালে বিখ্যাত ক্যাভেনডিস ল্যাবএ গবেষণা সুযোগ পান এর সাথে জনপ্রিয় বিজ্ঞানী পাওলি র সাথী গবেষণা করেন জুরিখ শহরে। বিজ্ঞানী এনরিকো ফার্মির সাথে কাজ করেন রোম শহরে।

ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয় তাকে ১৯৩৫ সালে পিএইচডি ডিগ্রি প্রদান করে। এর আগে তার প্রথম গবেষণাপত্র প্রকাশিত হয়েছিল ১৯৩৩ সালে যে গবেষণায় গামা রশ্মির বিকিরণের কথা জানা যায় এর সাথে পরমাণুর অন্যতম কণা ইলেকট্রন বিচ্ছুরণ সম্পর্কেও তিনি গবেষণা করেছিলেন। 

এই গবেষণাপত্রই তাকে স্যার আইজ্যাক নিউটন স্টুডেন্টশিপ দিয়েছিল। 

মাত্র ২৫ বছর বয়সে তিনি এই স্কলারশিপ টি অর্জন করেছিলেন। এরপর তিনি গবেষণা কার্যে এতই মনোনিবেশ করেন যে মাত্র 12 বছরের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ 50 টি বিজ্ঞানপত্র রচনা করেন। যেটা একটি রেকর্ড হয়ে আছে। তিনি উচ্চশক্তির পদার্থবিদ্যা নিয়ে গবেষণা করেছিলেন। তিনিই ছিলেন মেশন তত্ত্বের আবিষ্কারক।

পরমাণু গবেষণায় Homi J. Bhabha

উচ্চশক্তির নানা বিষয়ে তিনি একের পরে গবেষণা করে গেছেন। ইলেকশন ও প্রজেক্টনের ধ্বংস সম্পর্কে গবেষণা করেছেন। আবার তিনি মহাজাগতিক রশ্মির বিচ্ছুরণের কাসকেড তত্ত্বের আবিষ্কারক। তিনি চেয়েছিলেন ভারতবর্ষকে একটি পরমাণুতে শক্তিশালী দেশ করে গড়ে তুলতে। তার হাত ধরেই পরমাণু গবেষণার জগতে প্রবেশ করে ভারত।

অংক এবং পদার্থবিজ্ঞানের মধ্যে একটি সংমিশ্রণ ঘটানোর চেষ্টা করে গেছেন সর্বদা। তিনি হোমি জাহাঙ্গীর ভাবা গবেষণাগারে অংকের নানান পদ্ধতির উপর আলোচনা করে গেছেন। এবং পদার্থবিদ্যায় অংকের প্রয়োগ করে অনেক পদ্ধতি সহজ করে গেছেন। 

১৯৫৫ সালে জেনেভাতে অনুষ্ঠিত পরমাণু শক্তির ব্যবহার বিষয়ক আলোচনা সভার সভাপতি পদ অলংকৃত করেন হোমি জাহাঙ্গীর ভাবা। ভারতবাসী হিসেবে আমরা গর্বিত। 

ভারতবর্ষকে একটি অন্যতম পরমাণু শক্তিধর রাষ্ট্রে পরিণত করার পিছনে হোমি জাহাঙ্গীর ভাবার অবদান অনস্বীকার্য। তিনি ১৯৫৫ সাল থেকেই পরমাণু শক্তির গবেষণা সম্পর্কে অত্যন্ত আগ্রহী ছিলেন। তৎকালীন ভারতের প্রধানমন্ত্রী জহরলাল নেহেরু এই বিষয়ে হোমি জাহাঙ্গীর ভাবাকে সর্বদা সাহায্য করে গেছেন। দীর্ঘ ১১ বছর ধরে তিনি এই কাজে আত্মনিয়োগ করেন।

Homi J. Bhabha |পরমাণু কেন্দ্র স্থাপন

ভারতবর্ষে একাধিক পরমাণু কেন্দ্র স্থাপনের জন্য চেষ্টা করেন এবং উদ্যোগী হন। ১৯৬১ সালে ভারত চীন যুদ্ধে ভারতের পরাজয়ের পর পরমাণু শক্তিধর রাষ্ট্র হিসেবে ভারতকে শ্রেষ্ঠ করে তুলতে তিনি উঠে পড়ে লাগেন। ১৯৬৩ সালে রাজস্থানে ভারতের প্রথম পারমাণবিক শক্তি কেন্দ্র স্থাপনের বিষয়ে আন্তর্জাতিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। চুক্তি শর্তে বলা হয়েছিল যুদ্ধ বা কোন রকম সামরিক কার্যকলাপে এই পারমাণবিক শক্তি কাজে লাগাতে পারবে না ভারত। যদিও পরমাণু শক্তির কল্যাণকর ব্যবহার সম্পর্কে তিনি প্রচার করেছেন।

তেজস্ক্রিয় পরমাণু ইউরেনিয়াম, থোরিয়াম এদের সম্পর্কে নানান গবেষণা করেন। ভারতে কয়েকটি প্রথম শ্রেণীর পাটিকেল অ্যাক্সিলারেটর স্থাপন করেন এছাড়াও পারমাণবিক শক্তির জন্য প্রয়োজনীয় পারমাণবিক রিয়াক্টর কে উন্নত করার জন্য নানান রকমের উন্নত প্রযুক্তি বিদেশ থেকে আমদানি করেন তার সাথে নতুন পদ্ধতি উদ্ভাবনা করেন।

হোমি জাহাঙ্গীর ভাবার এই গবেষণা ভারতকে একটি অন্যতম পরমাণু শক্তিধর দেশে পরিণত করেছে। হয়েছে নানা পারমানবিক বিস্ফোরণের পরীক্ষা। তবে আমাদের লক্ষ্য রাখতে হবে পরমাণু শক্তিকে যেন আমরা ভালো কাজেই ব্যবহার করতে পারি। লুটোনিয়াম এর সাহায্যে কি করে পরমাণু শক্তিকে কেন্দ্রীভূত করা যায় সে বিষয়ে হয়েছে তার গবেষণা। 

১৯৪০ সালে ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ সায়েন্সে তিনি শিক্ষকতা করেন। তিনি এখানকার অধ্যাপক নিযুক্ত হয়েছেন পরবর্তীতে। তার সাথে ভারতবর্ষের অন্যতম সেরা এই গবেষণাগারে গবেষণাও করে গেছেন। ১৯৪৮ সালে ভারতের পরমাণু সংক্রান্ত আইন গৃহীত হয় যার মূল উদ্যোক্তা ছিলেন এই হোমি জাহাঙ্গীর ভাবা। তারই উদ্যোগে ভারতে পরমাণু শক্তি কমিশন গড়ে ওঠে। তিনি ছিলেন এই কমিটির অন্যতম প্রধান। 

পারমাণবিক শক্তি কমিশন স্থাপন

১৯৫৪ সালে পারমাণবিক শক্তি নিয়ে গবেষণা শুরু হলে ভাবা কে শক্তি কমিশনের মহাসচিব পদে মনোনীত করা হয়। পরে লোকসভায় পারমাণবিক শক্তি কমিশন স্থাপনের কথা বিল হিসেবে পাস হলে হোমি জাহাঙ্গীর ভাবার স্বপ্ন সার্থক হয়। পারমাণবিক শক্তি বিভাগটি পরবর্তীকালে পারমাণবিক শক্তি কেন্দ্রে রূপান্তরিত হয়, নাম হয় ভাবা এটোমিক রিসার্চ সেন্টার সংক্ষেপে BARC। যদিও সেই সময় ভারতকে পরমাণু শক্তিধর রাষ্ট্র হিসাবে আমেরিকা,চীন বা রাশিয়ার সমকক্ষ করে গড়ে তুলতে পারেননি।

লন্ডনের রয়েল সোসাইটি হোমি জাহাঙ্গীর ভাবাকে ফেলো নির্বাচিত করে। তার লক্ষ্য ছিল ইউরেনিয়ামকে বিশুদ্ধ করে পরমাণু বোমা নির্মাণের উপযোগী করে তোলা। 

অন্যান্য বিজ্ঞানীদের মতো তারও জীবনচর্চা ছিল সহজ সরল ও সাধারণ। শিল্প অনুরাগী এই মানুষটি অবসর সময়ে ছবি আঁকতেন। ১৯৬৫ সালে এক সাক্ষাৎকারে হোমি জাহাঙ্গীর ভাবা বলেন, 

আমি যদি সুযোগ পাই, ১৮ মাসের মধ্যে আমি ভারতের জন্য পরমাণু বোমা বানিয়ে দেখাতে পারি।

হোমি জাহাঙ্গীর ভাবার মৃত্যু:

১৯৬৬ সালের ২৪ শে জানুয়ারি আল্পস পর্বতের শৃঙ্গ মাউন্ট ব্ল্যাংক এর কাছে একটি বিমান দুর্ঘটনায় মাত্র ৫৭ বছর বয়সে হোমি জাহাঙ্গীর ভাবার মৃত্যু ঘটে। সেই বিমান দুর্ঘটনায় মোট ১১৭ জন যাত্রীর প্রাণহানি হয়।সেই সময় ভাবার মৃত্যু নিয়ে বিভিন্ন বিতর্ক দেখা গিয়েছিল। অনেকে ভাবার মৃত্যুকে স্বাভাবিক বলে মনে করেননি। তারা মনে করেন ভাবার মৃত্যুতে ছিল গভীর ষড়যন্ত্র।

যেহেতু তিনি চেয়েছিলেন ভারতকে পরমাণু শক্তিতে সমৃদ্ধ করে তুলতে তাই তার এই প্রয়াস তৎকালীন উন্নত রাষ্ট্রগুলির মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। সেই কারণে তাকে হত্যা করা হয়েও থাকতে পারে, বলে মনে করেন অনেকে। ১৯৬৬ সালের ২৪ শে জানুয়ারি সকাল আটটা নাগাদ এয়ার ইন্ডিয়ার বিমান কাঞ্চনজঙ্ঘা মুম্বাই থেকে লন্ডনে উদ্দেশ্যে যাত্রা করে। এই বিমানটিতে মোট ১১৭ জন যাত্রী এবং বিমান কর্মী ছিলেন।

দিল্লি লেবানন এবং জেনেভা হয়ে লন্ডন যাওয়ার কথা ছিল বিমানটির। ফ্রান্সের সীমান্তে অবস্থিত আল্পস পর্বতমালায় ম ব্লার কাছে ধাক্কা খায় এয়ার ইন্ডিয়ার বিমান শীতকালে পুরো এলাকায় বরফে ঢাকা পড়েছিল। দুর্গম এই অঞ্চলে উদ্ধার কার্যের জন্য বাহিনী পৌঁছোলেও সেখানে বরফের মাঝে ডুবে যায় বিমানের যাবতীয় ধ্বংসাবশেষ এমন কি বিমানের ব্ল্যাকবক্স কিংবা গুরুত্বপূর্ণ উপাদান কিছুরই সন্ধান করা যায় না।

দুর্গম এলাকার সাথে সাথে আবহাওয়া প্রতিকুল থাকায় উদ্ধার কার্য বন্ধ করে ফিরে আসে উদ্ধারকারী দল। পরে কিছু তদন্ত হলেও সেরকম কোন তথ্য পাওয়া যায়নি। ফরাসি সরকারের তরফে বিমান দুর্ঘটনার কারণ হিসেবে যান্ত্রিক গোলযোগের কথা বলা হয়।

 অল্প বয়সে তার মৃত্যু হলেও ভারতীয় বিজ্ঞান সাধনায় তার কীর্তি অমর হয়ে আছে।

🅵🅰🆀

Q.1: হোমি জাহাঙ্গীর ভাবাকে কেন ভারতের পরমাণু শক্তি গবেষণার জনক বলা হয়?

Ans: তিনি ভারতের পরমাণু শক্তি গবেষণার ভিত্তি স্থাপন করেন এবং দেশকে একটি শক্তিশালী পরমাণু শক্তিধর রাষ্ট্রে পরিণত করেন

Q.2: হোমি জাহাঙ্গীর ভাবার শিক্ষাগত পটভূমি কী ছিল?

Ans: তিনি মুম্বাইয়ে প্রাথমিক শিক্ষা শেষ করে কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ে মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং পড়েন এবং পরবর্তীতে পদার্থবিদ্যায় পিএইচডি অর্জন করেন।

Q.3: হোমি ভাবার পরমাণু শক্তি সম্পর্কিত উল্লেখযোগ্য অবদান কী ছিল?

Ans: তিনি ১৯৪৮ সালে ভারতের পরমাণু শক্তি কমিশন প্রতিষ্ঠা করেন এবং ভারতের প্রথম পারমাণবিক শক্তি কেন্দ্র স্থাপনের উদ্যোগ নেন।

Q.4: হোমি ভাবার মৃত্যু কীভাবে ঘটেছিল?

Ans: ১৯৬৬ সালের ২৪ জানুয়ারি একটি বিমান দুর্ঘটনায় আল্পস পর্বতমালায় তার মৃত্যু হয়, যা নিয়ে পরবর্তীতে বিভিন্ন ষড়যন্ত্র তত্ত্ব তৈরি হয়েছিল।

Q.5: হোমি ভাবার সাফল্যের মধ্যে কী কী ছিল?

Ans: তিনি ৫০টিরও বেশি গুরুত্বপূর্ণ গবেষণাপত্র প্রকাশ করেন এবং পরমাণু শক্তির ব্যবহার ও বিকাশে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন।

Q.6: তার মৃত্যুর পর তার কাজের কী প্রভাব ছিল?

Ans: তার কাজের ফলে ভারত পরমাণু শক্তিতে বিশ্বে একটি উল্লেখযোগ্য স্থান অধিকার করে, এবং তার স্থাপিত প্রতিষ্ঠান BARC ভারতের পরমাণু গবেষণার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে ওঠে।

Q.7: হোমি জাহাঙ্গীর ভাবা কোন প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন?

Ans: তিনি ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ সায়েন্সে অধ্যাপক ছিলেন এবং পরে ভাবা এটোমিক রিসার্চ সেন্টার (BARC)-এর প্রতিষ্ঠা করেন

Q.8: পরমাণু শক্তি গবেষণায় ভারতের অগ্রগতিতে হোমি ভাবার ভূমিকা কী ছিল?

Ans: তিনি ভারতের পরমাণু শক্তি কমিশন প্রতিষ্ঠা করেন এবং পরমাণু গবেষণার জন্য নানান আন্তর্জাতিক চুক্তি ও গবেষণা উদ্যোগ নেন, যা ভারতের পরমাণু শক্তির অগ্রগতিতে সহায়ক ছিল।

Q.9: হোমি ভাবা কোন আন্তর্জাতিক সম্মান পেয়েছিলেন?

Ans: লন্ডনের রয়াল সোসাইটি তাকে ফেলো নির্বাচিত করে এবং তিনি বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সম্মেলনে ভারতের প্রতিনিধিত্ব করেন।

Q.10: ১৯৫৫ সালে জেনেভায় অনুষ্ঠিত সম্মেলনে তার অবদান কী ছিল?

Ans: হোমি ভাবা ১৯৫৫ সালে জেনেভায় অনুষ্ঠিত পরমাণু শক্তির শান্তিপূর্ণ ব্যবহারের উপর আলোচনা সভার সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন।

Q.11: ভারতকে পরমাণু শক্তিধর রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তুলতে তার লক্ষ্য কী ছিল?

Ans: তিনি ভারতকে পরমাণু শক্তিতে সমৃদ্ধ করার লক্ষ্যে কাজ করেন এবং পরমাণু বোমা তৈরির সক্ষমতা অর্জনের জন্য ইউরেনিয়াম বিশুদ্ধকরণের উপর গবেষণা করেন।

Q.12: হোমি ভাবার পরমাণু গবেষণা কীভাবে ভারতের সামরিক ক্ষেত্রে প্রভাব ফেলেছিল?

Ans: যদিও তার গবেষণা শান্তিপূর্ণ উদ্দেশ্যে ছিল, পরমাণু শক্তির সামরিক ব্যবহারের জন্য ভারতের সক্ষমতা অর্জনের প্রেক্ষাপট তার গবেষণার মধ্যেই তৈরি হয়।

Q.13: হোমি ভাবা কোন বিষয়ে পিএইচডি করেছিলেন?

Ans: তিনি কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পদার্থবিদ্যায় পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন।

Q.14: হোমি ভাবার বিজ্ঞানচর্চা ছাড়াও অন্যান্য আগ্রহ কী ছিল?

Ans: তিনি একজন শিল্প অনুরাগী ছিলেন এবং অবসর সময়ে ছবি আঁকতেন।

Q.15: ভারতীয় বিজ্ঞানীদের মধ্যে হোমি ভাবার বিশেষত্ব কী ছিল?

Ans: হোমি ভাবা ছিলেন মেশন তত্ত্বের আবিষ্কারক এবং মহাজাগতিক রশ্মির কাসকেড তত্ত্বের আবিষ্কারক, যা তাকে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃতি এনে দেয়।

Leave a Comment